- দইয়ের মধ্যে রয়েছে ভালো ব্যাকটেরিয়া। এটি হজমে সাহায্য করে; রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- দই শরীরে বাজে কোলেস্টেরল হওয়া প্রতিরোধ করে হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখে। এটি রক্তচাপকেও ঠিকঠাক রাখতে সাহায্য করে।
- গরমে ক্লান্তি ও অবসাদ লাগে। দই আপনার খাদ্যতালিকায় রাখলে নিজেকে কিছুটা শিথিল লাগবে। এটি মুড ভালো রাখতেও সাহায্য করে। এ সময় খুব ক্লান্ত লাগলে একটু দই খেয়ে নিন।
- দুধ খেতে ভালো না লাগলে দই খেতে পারেন। এতে দুধের মতোই পুষ্টি থাকে।
- হাড় ও দাঁতকে ভালো রাখে দই। এটি হাড়ে অসুখ অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধে কাজ করে।
- গরমের সময় ডিসেনট্রির সমস্যা অনেকের হয়। এক কাপ দই খাওয়া ডিসেনট্রির সমস্যা উপশমে অনেকটাই কাজ করবে।
মে ২১, ২০১৭
No comments
গরমে খাদ্যতালিকায় নিয়মিত দই রাখুন। ছবি : বোল্ডস্কাই
গরম তখনই ভালো, যখন আপনি সুস্থ থাকবেন। আর গরমে সুস্থ থাকতে কিছু কাজ করা জরুরি।
গরমে পানিশূন্যতা একটি বড় সমস্যা। পানিশূন্যতা থেকে ক্লান্তি ও অবসন্ন ভাব হয়। তাই এ সময় শরীর আর্দ্র ও ঠান্ডা রাখা প্রয়োজন।
অনেক খাবারই গরমে খেতে বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে তরমুজ, শসা, ডাবের পানি, কমলা, পানিসমৃদ্ধ সবজি ইত্যাদি। এগুলো শরীরকে ঠান্ডা রাখে। তবে এগুলো ছাড়াও গরমের সময় দই খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে।
দইয়ের মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম। ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২, জিংক ও ফসফরাস। শরীর ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি দইয়ের রয়েছে আরো উপকারী গুণ।
দইয়ের কিছু উপকারী গুণ এবং গরমে দই খাওয়া কেন ভালো–এ বিষয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশ হয়েছে একটি প্রতিবেদন।
তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শরীরের অবস্থা বুঝে খান।
প্রতিদিন তিনটি খেজুর খেলে কী হয়
মে ২০, ২০১৭
No comments
খেজুর মস্তিষ্কের জন্য ভালো। ছবি : বোল্ডস্কাই
আপনি কি জানেন, খেজুরের মধ্যে আঁশ রয়েছে? আঁশ হজম ভালো করতে সাহায্য করে। তাই খেজুর খেলে হজম ভালো হয়।
এ ছাড়া খেজুর পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে খেজুর খুব উপকারী। এটি রক্তচাপ ঠিকঠাক রাখতে সাহায্য করে।
খেঁজুরের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক সুগারের জন্য এটি খেতে খুব সুস্বাদু। দিনে কেবল তিনটি খেজুর খাওয়া ভিটামিনের চাহিদা অনেকটাই পূরণে কাজ করে। প্রতিদিন তিনটি খেজুর খাওয়ার আরো কিছু উপকারিতার কথা জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
আয়রনের চমৎকার উৎস
যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাদের খাদ্যতালিকায় খেজুর রাখা প্রয়োজন। ১০০ গ্রাম খেজুরে ০.০৯ গ্রাম আয়রন থাকে। এটি শরীরের প্রতিদিনের আয়রনের চাহিদার ১১ ভাগ পূরণ করে। আয়রন রক্তস্বল্পতার সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
চোখ ভালো রাখতে
খেজুরের মধ্যে রয়েছে জিক্সাথিন ও লিউটেইন। এগুলো ম্যাকুলার ও রেটিনার স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে।
কোষ্ঠকাঠিন্য
আপনি কি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগছেন? ঘুমানোর আগে কিছু খেজুর খান। এরপর এক গ্লাস পানি পান করুন। এতে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেকটাই কমবে।
ওজনের ভারসাম্য রাখে
খেজুর অনেক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। এটি খেলে চিনি খাওয়ার ইচ্ছাও পূরণ হয়। তবে ওজন বাড়ে না।
হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে
নিয়মিত খেজুর খাওয়া হার্টের সমস্যা কমাতে উপকারী। এক গ্লাস পানির মধ্যে বিচি ফেলে কয়েকটি খেজুর রাখুন। পরের দিন সকালে খেজুরসহ এই পানি ব্ল্যান্ড করুন। দিনে কয়েকবার এই পানি খেতে পারেন। এটি হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে কাজ করে।
উচ্চ রক্তচাপ কমাতে
খেঁজুরের মধ্যে রয়েছে কম পরিমাণ সোডিয়াম। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খেঁজুর উপকারী।
স্ট্রোক প্রতিরোধ করে এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখে
খেঁজুরের মধ্যে থাকে উচ্চ পরিমাণ পটাশিয়াম। এটি মস্তিষ্কের স্নায়বিক কার্যক্রম ভালো রাখে। উচ্চ পরিমাণ পটাশিয়াম স্ট্রোকের আশঙ্কা প্রতিরোধ করে।
এ ছাড়া খেঁজুরের মধ্যে রয়েছে ফসফরাস। এটি মস্তিষ্কের জন্য ভালো। এসব উপকারগুলো পেতে খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন অন্তত তিনটি খেজুর রাখুন। তবে যেকোনো খাবার খাওয়ার আগে অবশ্যই শরীরের অবস্থা বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।
গরমের সময় কি কৃমির ওষুধ খাওয়া নিষেধ?
মে ১৮, ২০১৭
No comments
অনেকেরই ধারণা, কৃমির ওষুধ খেতে হয় ঠাণ্ডা পরিবেশে। অর্থাৎ গরমের সময় এ ওষুধ খাওয়া যাবে না। তাই সবাই বৃষ্টির দিন কিংবা একটি ঠাণ্ডা পরিবেশের অপেক্ষায় থাকেন। কিন্তু আসলেই কি কৃমির ওষুধ ঠাণ্ডা পরিবেশে খেতে হবে?
গরমের সময় কি কৃমির ওষুধ খাওয়া নিষেধ?
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, সে রকম কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নেই। তবে কৃমির ওষুধ খেলে কারো কারো ক্ষেত্রে বমিভাব, মাথাঘোরা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যা কিনা আরো অনেক ওষুধের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দিতে পারে। শুধু কৃমির ওষুধের ক্ষেত্রেই যে এই ব্যতিক্রম, তা কিন্তু নয়। এ ছাড়া কার ক্ষেত্রে এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেবে তা আগেভাগে বলা মুশকিল। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়ে অন্যান্য ওষুধ খাওয়ার সময় কেউ কিন্তু টাণ্ডা-গরম পরিবেশের কথা ভাবেন না। আবার কেউ যদি ভাবেন, ঠাণ্ডার দিনে কৃমির ওষুধ খাওয়ালে নিশ্চিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হবে না, সেই ধারণাও কিন্তু ঠিক নয়। কৃমির ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে পরিবেশের ঠাণ্ডা-গরমের কোনো বাছবিচার নেই।
কাজেই কৃমির ওষুধ খাওয়ানোর প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শে খেতে হবে। ওষুধের মাত্রাও ঠিক হতে হবে। কৃমি হলেই কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। কৃমির ওষুধ খাওয়ানোর জন্য বর্ষণমুখর দিন কিংবা শীতের জন্য অপেক্ষার দরকার নেই।
স্যালাইন ঠিক ভাবে না বানানোতে বাচ্চা মারা গেল!! স্যালাইন ঠিক ভাবে বানান
মে ১৭, ২০১৭
No comments
অনেক বাচ্চা মারা যায় ডায়রিয়ার কারণে নয়, ভুলভাবে স্যালাইন বানানোর কারণে। সঠিকভাবে স্যালাইন বানানো জেনে নিন। স্যালাইন ঠিক ভাবে না বানানোতে বাচ্চা মারা গেল!! স্যালাইন ঠিক ভাবে বানান
কৌতূহল নিয়ে দেখছি কি করে!!
প্রচণ্ড গরম পরেছে… পাশের সারির সিটে বসেছিল দুই ছেলে… দুজনই ছাত্র…
হাফ লিটার (৫০০ মি.লি) পানির বোতলে প্রথমে এক প্যাকেট খাবার স্যালাইন ঢালল… একটু ঝাঁকি দিল… এরপর আরেক প্যাকেট স্যালাইন বের করল… সব মিলে দুই প্যাকেট স্যালাইন ঢালল ঐ হাফ লিটার পানির মধ্যেই…
জিজ্ঞাসা করলাম, ভাই দুই প্যাকেট কেন ঢাললেন?
এক প্যাকেটে অত স্বাদ পাওয়া যায় না… তাছাড়া যে গরম পড়েছে, তাতে বেশি খাওয়াই ভাল।
এরকম ভুল প্রায় লোকই করে… সবাই ভাবে, স্যালাইনই তো… কি আর হবে!! কিন্তু এটা যে কত মারাত্মক ভুল, তা বেশিরভাগ লোকই জানে না…
বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তো আরো বেশি বিপদজনক…
কয়েক মাস আগের কথা… ডায়রিয়া হওয়ার পর খিঁচুনি নিয়ে এক বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে।
একটু সন্দেহ হল… জিজ্ঞাসা করলাম, কি খাওয়াইছেন বাবুকে?
– কেন? স্যালাইন।
– বানাইছেন কিভাবে?
– হাফ গ্লাসের মত পানিতে এক প্যাকেট স্যালাইন গুলছি।
– নিয়ম তো হাফ লিটার বা আধা সের পানিতে স্যালাইন গুলানো। কিন্তু হাফ গ্লাস পানিতে কেন?
– ছোট বাচ্চা, অত আর স্যালাইন খেতে পারবে?
তাড়াতাড়ি বাচ্চাকে মেডিকেলে রেফার করে দিলাম। অল্প পানিতে স্যালাইন গুলানোর কারণে বেশি ঘনত্বের লবণ শরীরের ভেতরে গিয়ে লবনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে খিচুনি শুরু হয়েছে, যা খুবই মারাত্মক… কিডনি নষ্ট হওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
এভাবে অনেক বাচ্চা মারা যায় ডায়রিয়ার কারণে নয়, ভুলভাবে স্যালাইন বানানোর কারণে।
মনে রাখা উচিত, খাবার স্যালাইন কোন সাধারণ পানীয় নয় যে ইচ্ছেমত খাবেন। এটি ওষুধ… বমি, পাতলা পায়খানা বা গরমের ফলে প্রচন্ডরকম ঘেমে শরীর থেকে যে পানি, লবণ বের হয়ে যায়, তা পূরণ করার জন্য এটি খাওয়া হয়।
এটি নির্দিষ্ট নিয়মেই গুলতে হবে… ছোট-বড় সবার জন্য একই নিয়মে বানাতে হবে… আধা সের বা হাফ লিটার পানির মধ্যে পুরো এক প্যাকেট মিশিয়ে স্যালাইন দ্রবন প্রস্তুত করতে হবে। তবেই তা শরীরে গিয়ে কাজ করবে।
এর কম পানিতে বানালে লবনের ঘনত্ব বেড়ে গিয়ে কিডনির ক্ষতি করবে… বেশি পানিতে বানালে লবনের ঘনত্ব কমে গিয়ে সঠিকভাবে ঘাটতি পূরণ হবে না।
একবার স্যালাইন বানালে, তা সর্বোচ্চ বারো ঘণ্টা পর্যন্ত রাখা যায়, তবে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত রাখতেও অনেকে পরামর্শ দেন।
কখনো হাফ প্যাকেট স্যালাইন, এক গ্লাস পানি- এভাবে বানাবেন না… কিংবা পরবর্তিতে বানানোর জন্য প্যাকেটে কিছু স্যালাইন রেখেও দিবেন না… এক প্যাকেট দিয়ে একসাথে হাফ লিটারই বানাবেন…
একবার বানানোর পর, বয়স ও প্রয়োজনভেদে যতটুকু দরকার, সেখান থেকে নিয়ে সেভাবে খাবেন। শেষ হয়ে গেলে আবার হাফ লিটার পানিতে এক প্যাকেট গুলিয়ে নতুন করে বানাবেন।
ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, কিডনি রোগ কিংবা হার্টের রুগীর ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে স্যালাইন খাবেন।
আর হ্যাঁ, বাজারে “টেস্টি স্যালাইন” নামক যা পাওয়া যায়, সেগুলো অবশ্যই খাওয়া যাবে না.. এগুলোতে মাত্রার কোন ঠিক তো নেই-ই, এর পাশাপাশি ওষুধ প্রশাসনেরও কোন অনুমোদন নেই। বরং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অনেক কোম্পানির টেস্টি স্যালাইনে স্যাকারিন ও কাপড়ের রং পর্যন্ত পাওয়া গেছে।
পোস্ট টি যদি ভাল লাগে শেয়ার করতে ভুলবেন না।
কোক ফানটা না খেয়ে ডাবের পানি খান? দেখুন ডাবের পানির উপকার
মে ১৬, ২০১৭
No comments
গরমের সময় তৃষ্ণা মেটাতে আমরা নানা ধরনের পানীয় পান করে থাকি। কিন্তু সেগুলো শরীরের কতখানি উপকার বা অপকার করছে সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণা নেই। এমন পরিস্থিতিতে ডাবের পানি খুবই উপকারী। এটি কোনো কৃত্রিম পানীয় নয়। শরীর থেকে যেসব লবণ গরমের কারণে বের হয়ে যায় তা পূরণ করার জন্য আমাদের খাদ্য তালিকায় নানা ধরনের ফলের শরবত, কোমল পানীয়ের পাশাপাশি ডাবের পানি রাখা যায়।
কোক ফানটা না খেয়ে ডাবের পানি খান? দেখুন ডাবের পানির উপকার
ডাবের পানি শুধু পানীয় হিসেবেই উপকারী তা নয়, ডাবের পানিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ লবণ ও নানা রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, যা অনেক জটিল রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে।
ডাবের পানি কলেরা প্রতিরোধ করে, বদহজম দূর করে, হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, গরমে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যায় বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ব্যায়ামের পর যখন শরীর ঘেমে ক্লান্ত হয়ে যায় তখন ডাবের পানি পান করলে শরীরের ফ্লুইডের ভারসাম্য বজায় থাকে। গরমের কারণে ঘামাচি, ত্বক পুড়ে গেলে, ডাবের পানি লাগালে আরাম পাওয়া যায়। ডায়াবেটিস রোগীরা ডাবের পানি পান করতে পারেন। ডাবের পানি বাচ্চাদের গ্রোথ বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরে ব্লাড সার্কুলেশন ভাল রাখে। এছাড়া কোলাইটিস, আলসার, গ্যাসট্রিক, পাইলস, ডিসেন্ট্রি, কিডনীতে পাথর-এসব সমস্যায় ডাবের পানি উপকারী। ঘন ঘন বমি হলে ডাবের পানি ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
তাই কৃত্রিম ক্ষতিকর পানীয়র পরিবর্তে ডাবের পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে। এতে গরমে তৃষ্ণাও মিটবে, শরীরও সুস্থ ও তাজা থাকবে।
ঘামের দুর্গন্ধ?
মে ১৪, ২০১৭
No comments
সকালে ধোপদুরস্ত হয়ে বেরিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু বাসে ভিড়ে ঘেমে অস্থির হয়ে যখন অফিসে ঢুকেছেন তখন শার্টটা যেমন কুঁচকে গেছে তেমনি শরীরটাও ঘামের গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে। অথবা অফিসের পর সন্ধ্যায় জরুরি বৈঠক রয়েছে, কিন্তু সারা দিন পর দুর্গন্ধের জন্য বিব্রত বোধ করছেন। এই সমস্যা প্রায় সবার। আশ্চর্য হলেও সত্যি যে আমাদের দেহের ঘাম আসলে গন্ধহীন। কিন্তু ত্বকে বাস করা নানা ব্যাকটেরিয়া এই ঘামের মধ্যে বংশবিস্তার করে ও দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। এই সমস্যা মোকাবিলার জন্য কিছু পদক্ষেপ অবশ্যই নেওয়া যায়।
প্রতিদিন গোসল করা উচিত। প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার আগে ও ফিরে এসে দুবারই গোসল করা যায়। গোসলের সময় খুব ভালো করে ত্বকের নানা ভাঁজ পরিষ্কার করতে হবে। কেননা যতক্ষণ না ব্যাকটেরিয়াগুলো ধুয়ে দূর করতে পারছেন ততক্ষণ গন্ধ পিছু ছাড়বে না।
গোসলের পর খুব ভালো করে ত্বক শুষ্ক করতে হবে। শুষ্ক ত্বকে জীবাণুর বৃদ্ধি কম হয়। একই পোশাক কখনো না ধুয়ে ব্যবহার করবেন না। ব্যবহূত তোয়ালেও পারলে সপ্তাহে এক বা দুবার ধুয়ে ফেলুন। ওয়ার্ডরোব পরিচ্ছন্ন রাখুন ও প্রয়োজনে সুগন্ধি ব্যবহার করুন। প্রতিদিন বা দরকার হলে দিনে দুবার মোজা পরিবর্তন করুন। জুতা পরিষ্কার রাখুন বা এতে ডিওডোরেন্ট পাউডার ব্যবহার করুন। দুর্গন্ধের সঙ্গে খাবারেরও সম্পর্ক আছে। পেঁয়াজ, রসুন ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার এই সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
প্রতিদিন গোসল করা উচিত। প্রয়োজনে বাইরে যাওয়ার আগে ও ফিরে এসে দুবারই গোসল করা যায়। গোসলের সময় খুব ভালো করে ত্বকের নানা ভাঁজ পরিষ্কার করতে হবে। কেননা যতক্ষণ না ব্যাকটেরিয়াগুলো ধুয়ে দূর করতে পারছেন ততক্ষণ গন্ধ পিছু ছাড়বে না।
গোসলের পর খুব ভালো করে ত্বক শুষ্ক করতে হবে। শুষ্ক ত্বকে জীবাণুর বৃদ্ধি কম হয়। একই পোশাক কখনো না ধুয়ে ব্যবহার করবেন না। ব্যবহূত তোয়ালেও পারলে সপ্তাহে এক বা দুবার ধুয়ে ফেলুন। ওয়ার্ডরোব পরিচ্ছন্ন রাখুন ও প্রয়োজনে সুগন্ধি ব্যবহার করুন। প্রতিদিন বা দরকার হলে দিনে দুবার মোজা পরিবর্তন করুন। জুতা পরিষ্কার রাখুন বা এতে ডিওডোরেন্ট পাউডার ব্যবহার করুন। দুর্গন্ধের সঙ্গে খাবারেরও সম্পর্ক আছে। পেঁয়াজ, রসুন ও অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার এই সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।
সূত্র: ওয়েবমেড।
পুরুষের স্বাস্থ্য: ১০টি স্বাস্থ্যঝুঁকি
মে ১২, ২০১৭
No comments

পুরুষের স্বাস্থ্যের যে বড় ঝুঁকি রয়েছে, এগুলোর সবই প্রতিরোধ করা যায়। দীর্ঘ, সুস্থ জীবনের জন্য জানা চাই:
মাত্র ১০টি স্বাস্থ্যঝুঁকি সামলালেই হলো। বিখ্যাত সংস্থা সিডিসি এবং আরও কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান থেকে জানা গেল।
মাত্র ১০টি স্বাস্থ্যঝুঁকি সামলালেই হলো। বিখ্যাত সংস্থা সিডিসি এবং আরও কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থার পরিসংখ্যান থেকে জানা গেল।
১. হূদরোগ
পুরুষের স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রধান ঝুঁকি তো বটেই। আর স্বাস্থ্যকর জীবন পছন্দ মানলে হূদস্বাস্থ্য ভালো থাকবে অবশ্যই।
ধূমপান করা যাবে না। তামাক, জর্দা, গুল চিবানো চলবে না। কেউ ধূমপান যদি করে, তার পাশে থাকা যাবে না। বারণ করতে ব্যর্থ হলে দূরে সরে যেতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। প্রচুর শাকসবজি, টাটকা ফল, গোটা শস্যদানা, আঁশ ও মাছ। যেসব খাবারে চর্বি বেশি, নুন বেশি সেসব খাবার বর্জন করা ভালো। রক্তে যদি থাকে উঁচুমান কোলেস্টেরল, থাকে যদি উচ্চরক্তচাপ তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো চিকিৎসা নিতে হবে। প্রতিদিন জীবনযাপনের অংশ হবে শরীরচর্চা। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে।
মদ্যপান করে থাকলে বর্জন করতে হবে। ডায়াবেটিস যদি থাকে, তাহলে রক্তের সুগার মান বজায় রাখতে হবে।
মানসিক চাপকে মোকাবিলা করতে হবে।
পুরুষের স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রধান ঝুঁকি তো বটেই। আর স্বাস্থ্যকর জীবন পছন্দ মানলে হূদস্বাস্থ্য ভালো থাকবে অবশ্যই।
ধূমপান করা যাবে না। তামাক, জর্দা, গুল চিবানো চলবে না। কেউ ধূমপান যদি করে, তার পাশে থাকা যাবে না। বারণ করতে ব্যর্থ হলে দূরে সরে যেতে হবে। স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। প্রচুর শাকসবজি, টাটকা ফল, গোটা শস্যদানা, আঁশ ও মাছ। যেসব খাবারে চর্বি বেশি, নুন বেশি সেসব খাবার বর্জন করা ভালো। রক্তে যদি থাকে উঁচুমান কোলেস্টেরল, থাকে যদি উচ্চরক্তচাপ তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শমতো চিকিৎসা নিতে হবে। প্রতিদিন জীবনযাপনের অংশ হবে শরীরচর্চা। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে।
মদ্যপান করে থাকলে বর্জন করতে হবে। ডায়াবেটিস যদি থাকে, তাহলে রক্তের সুগার মান বজায় রাখতে হবে।
মানসিক চাপকে মোকাবিলা করতে হবে।
২. ক্যানসার
পুরুষের মধ্যে ক্যানসারের কারণে যাদের মৃত্যু হয়, শীর্ষে রয়েছে ফুসফুসের ক্যানসার। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির অভিমত: এর কারণ হলো ধূমপান। এরপর রয়েছে প্রোস্টেট ক্যানসার ও কোলেস্টেরল ক্যানসার।
ক্যানসার প্রতিরোধ করতে হলে—
ধূমপান করা যাবে না। তামাকপাতা, জর্দা, গুল চিবানো যাবে না।
পাশে কেউ ধূমপান করলে দূরে সরে যেতে হবে। দৈনন্দিন জীবনে শরীরচর্চা থাকতেই হবে।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে। ফল ও শাকসবজিসমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর আহার। এড়িয়ে যেতে হবে চর্বিবহুল খাবার। কড়া রোদে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়। ছাতা ও মাথাল ব্যবহার, সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। মদ্যপান বর্জন করতে হবে। নিয়মিত ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ও সাহায্য নিতে হবে।
ক্যানসার জনক বস্তু অর্থাৎ কার্সিনোজেন যেমন, রেড়ন, এসবেসটস বিকিরণ ও বায়ুদূষণের মুখোমুখি যাতে না হতে হয়, সে রকম ব্যবস্থা করা।
পুরুষের মধ্যে ক্যানসারের কারণে যাদের মৃত্যু হয়, শীর্ষে রয়েছে ফুসফুসের ক্যানসার। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির অভিমত: এর কারণ হলো ধূমপান। এরপর রয়েছে প্রোস্টেট ক্যানসার ও কোলেস্টেরল ক্যানসার।
ক্যানসার প্রতিরোধ করতে হলে—
ধূমপান করা যাবে না। তামাকপাতা, জর্দা, গুল চিবানো যাবে না।
পাশে কেউ ধূমপান করলে দূরে সরে যেতে হবে। দৈনন্দিন জীবনে শরীরচর্চা থাকতেই হবে।
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে। ফল ও শাকসবজিসমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর আহার। এড়িয়ে যেতে হবে চর্বিবহুল খাবার। কড়া রোদে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক নয়। ছাতা ও মাথাল ব্যবহার, সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। মদ্যপান বর্জন করতে হবে। নিয়মিত ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ ও সাহায্য নিতে হবে।
ক্যানসার জনক বস্তু অর্থাৎ কার্সিনোজেন যেমন, রেড়ন, এসবেসটস বিকিরণ ও বায়ুদূষণের মুখোমুখি যাতে না হতে হয়, সে রকম ব্যবস্থা করা।
৩. আঘাত
সেন্টার ফর ডিজিজ কনট্রোল সিডিসির মত অনুযায়ী পুরুষের মধ্যে মারাত্মক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো, মোটরগাড়ি দুর্ঘটনা। ভয়ানক দুর্ঘটনা এড়াতে হলে—
গাড়িতে সিটবেল্ট পরতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় গতিসীমা মেনে চলা উচিত। মদ বা অন্য কোনো নেশা করে গাড়ি চালানো উচিত নয়। ঘুম ঘুম চোখে গাড়ি চালানো ঠিক নয়।
মারাত্মক দুর্ঘটনার অন্যান্য বড় কারণ হলো, পতন, পিছলে পড়ে যাওয়া, বিষক্রিয়া। বায়ু চলাচল হয় এমন স্থানে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা উচিত, স্নানঘরে পিছলে যায় না এমন ম্যাট ব্যবহার করা উচিত।
৪. স্ট্রোক
স্ট্রোকের কিছু ঝুঁক আছে, যা পরিবর্তন করা যায় না যেমন, পারিবারিক ইতিহাস, বয়স ও গোত্র। তবে আরও কিছু ঝুঁকি আছে যেগুলো বেশ বদলানো যায়।
ধূমপান করা ঠিক নয়। রক্তচাপ বেশি হলে বা রক্তে কোলেস্টেরল মান বেশি থাকলে চিকিৎসকের চিকিৎসা ও পরামর্শ মেনে চলা উচিত। খাবারে যদদূর সম্ভব স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কম থাকা ভালো। ট্রান্সফ্যাট একেবারে বাদ দিলেই মঙ্গল। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা উচিত। প্রতিদিনের দিন যাপনে ব্যায়াম অবশ্যই থাকা উচিত। ডায়াবেটিস যদি থাকে, তাহলে রক্তের সুগার যেন থাকে নিয়ন্ত্রণে। মদ্যপান করে থাকলে বর্জন করা উচিত।
সেন্টার ফর ডিজিজ কনট্রোল সিডিসির মত অনুযায়ী পুরুষের মধ্যে মারাত্মক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হলো, মোটরগাড়ি দুর্ঘটনা। ভয়ানক দুর্ঘটনা এড়াতে হলে—
গাড়িতে সিটবেল্ট পরতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় গতিসীমা মেনে চলা উচিত। মদ বা অন্য কোনো নেশা করে গাড়ি চালানো উচিত নয়। ঘুম ঘুম চোখে গাড়ি চালানো ঠিক নয়।
মারাত্মক দুর্ঘটনার অন্যান্য বড় কারণ হলো, পতন, পিছলে পড়ে যাওয়া, বিষক্রিয়া। বায়ু চলাচল হয় এমন স্থানে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা উচিত, স্নানঘরে পিছলে যায় না এমন ম্যাট ব্যবহার করা উচিত।
৪. স্ট্রোক
স্ট্রোকের কিছু ঝুঁক আছে, যা পরিবর্তন করা যায় না যেমন, পারিবারিক ইতিহাস, বয়স ও গোত্র। তবে আরও কিছু ঝুঁকি আছে যেগুলো বেশ বদলানো যায়।
ধূমপান করা ঠিক নয়। রক্তচাপ বেশি হলে বা রক্তে কোলেস্টেরল মান বেশি থাকলে চিকিৎসকের চিকিৎসা ও পরামর্শ মেনে চলা উচিত। খাবারে যদদূর সম্ভব স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কম থাকা ভালো। ট্রান্সফ্যাট একেবারে বাদ দিলেই মঙ্গল। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা উচিত। প্রতিদিনের দিন যাপনে ব্যায়াম অবশ্যই থাকা উচিত। ডায়াবেটিস যদি থাকে, তাহলে রক্তের সুগার যেন থাকে নিয়ন্ত্রণে। মদ্যপান করে থাকলে বর্জন করা উচিত।
৫. সিওপিডি
শ্বাসযন্ত্রের ক্রনিক রোগ যেমন ব্রংকাইটস এবং এমফাইসেমা-এদের বলে সিওপিডি। পুরো মনে করলে দাঁড়ায় কুনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ। এ রোগ ঠেকাতে হলে—
ধূমপান কখনই নয়। কেউ ধূমপান করলে পাশে, সে ধোঁয়াও গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা উচিত। রাসায়নিক বস্তু এবং বায়ু দূষণের মুখোমুখি যত কম হওয়া যায়, ততই মঙ্গল।
৬. টাইপ ২ ডায়াবেটিস
সবচেয়ে সচরাচর ডায়াবেটিস টাইপ ২ ডায়াবেটিস রক্তে বেড়ে যায় সুগার।
একে নিয়ন্ত্রণ না করলে হয় নানা রকমের জটিলতা, হূদরোগ, অন্ধত্ব, স্নায়ু রোগ, কিডনির রোগ।
একে প্রতিরোধ করতে হলে—
শরীরে বেশি ওজন থাকলে বাড়তি ওজন ঝরাতে হবে।
ফল, শাকসবজি ও কম চর্বি খাবারে সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। দৈনন্দিন জীবনযাপনে থাকবে অবশ্যই ব্যায়াম।
শ্বাসযন্ত্রের ক্রনিক রোগ যেমন ব্রংকাইটস এবং এমফাইসেমা-এদের বলে সিওপিডি। পুরো মনে করলে দাঁড়ায় কুনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ। এ রোগ ঠেকাতে হলে—
ধূমপান কখনই নয়। কেউ ধূমপান করলে পাশে, সে ধোঁয়াও গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা উচিত। রাসায়নিক বস্তু এবং বায়ু দূষণের মুখোমুখি যত কম হওয়া যায়, ততই মঙ্গল।
৬. টাইপ ২ ডায়াবেটিস
সবচেয়ে সচরাচর ডায়াবেটিস টাইপ ২ ডায়াবেটিস রক্তে বেড়ে যায় সুগার।
একে নিয়ন্ত্রণ না করলে হয় নানা রকমের জটিলতা, হূদরোগ, অন্ধত্ব, স্নায়ু রোগ, কিডনির রোগ।
একে প্রতিরোধ করতে হলে—
শরীরে বেশি ওজন থাকলে বাড়তি ওজন ঝরাতে হবে।
ফল, শাকসবজি ও কম চর্বি খাবারে সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। দৈনন্দিন জীবনযাপনে থাকবে অবশ্যই ব্যায়াম।
৭. ফ্লু
ইনফ্লুয়েঞ্জা হলো সচরাচর একটি ভাইরাস সংক্রমণ। সুস্থ শরীরের মানুষের জন্য ফ্লু এত গুরুতর নয় বটে, তবে ফ্লুর জটিলতা মারাত্মক হতে পারে, বিশেষ করে যাদের দেহ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল বা যাদের ক্রনিক রোগ রয়েছে।
ফ্লু থেকে রক্ষা পেতে হলে বছরে একবার ফ্লুর টিকা নিতে হবে।
ইনফ্লুয়েঞ্জা হলো সচরাচর একটি ভাইরাস সংক্রমণ। সুস্থ শরীরের মানুষের জন্য ফ্লু এত গুরুতর নয় বটে, তবে ফ্লুর জটিলতা মারাত্মক হতে পারে, বিশেষ করে যাদের দেহ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল বা যাদের ক্রনিক রোগ রয়েছে।
ফ্লু থেকে রক্ষা পেতে হলে বছরে একবার ফ্লুর টিকা নিতে হবে।
৮. আত্মহত্যার মতো দুর্ঘটনা
পুরুষের স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে বড় একটি হলো আত্মহত্যা। অনেক দেশে, সমাজে পুরুষের মধ্যে আত্মহত্যার কারণ হলো বিষণ্ন্নতা। মন বিষণ্ন মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। চিকিৎসা তো রয়েছেই। নিজের সর্বনাশ করা কেন? যতই প্রতিকূল অবস্থাই হোক, যত বিপদই হোক, একে অতিক্রম করাই তো মানুষের কাজ।
পুরুষের স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে বড় একটি হলো আত্মহত্যা। অনেক দেশে, সমাজে পুরুষের মধ্যে আত্মহত্যার কারণ হলো বিষণ্ন্নতা। মন বিষণ্ন মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। চিকিৎসা তো রয়েছেই। নিজের সর্বনাশ করা কেন? যতই প্রতিকূল অবস্থাই হোক, যত বিপদই হোক, একে অতিক্রম করাই তো মানুষের কাজ।
৯. কিডনির রোগ
ডায়াবেটিস বা উচ্চরক্তচাপের প্রথম জটিলতা হলো কিডনি বিকল হওয়া। ডায়াবেটিস বা উচ্চরক্তচাপ থাকলে চিকিৎসকের চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে হবে।
স্বাস্থ্যকর আহার। নুন কম খেতে হবে।
প্রতিদিন ব্যায়াম
ওজন বেশি থাকলে ওজন ঝরানো।
ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ।
ডায়াবেটিস বা উচ্চরক্তচাপের প্রথম জটিলতা হলো কিডনি বিকল হওয়া। ডায়াবেটিস বা উচ্চরক্তচাপ থাকলে চিকিৎসকের চিকিৎসা ও পরামর্শ নিতে হবে।
স্বাস্থ্যকর আহার। নুন কম খেতে হবে।
প্রতিদিন ব্যায়াম
ওজন বেশি থাকলে ওজন ঝরানো।
ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ওষুধ।
১০. আলঝাইমারস রোগ
এই রোগ প্রতিরোধ করার কোনো প্রমাণিত উপায় নেই। তবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া যায়—
হূদযন্ত্রের যত্ন নেওয়া ভালো। উচ্চরক্তচাপ থাকলে হূদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস উঁচুমান কোলেস্টেরল থাকলে আলঝাইমার রোগের ঝুঁকি বাড়ে। মাথায় যাতে আঘাত না লাগে, দেখা উচিত। মাথায় আঘাত লাগার সঙ্গে ভবিষ্যতে আলঝাইমার রোগ হওয়ার একটি সম্পর্ক আছে, বলেন অনেকে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা উচিত।
প্রতিদিন ব্যায়াম। ধূমপান বর্জন। মদ্যপান বর্জন।
সামাজিক মেলামেশা চালিয়ে যান।
মানসিক ফিটনেস বজায় রাখতে হবে। মগজ খেলানোর জন্য চর্চা, ব্যায়াম। নতুন জিনিস শেখার চেষ্টা করা।
এই রোগ প্রতিরোধ করার কোনো প্রমাণিত উপায় নেই। তবে এসব পদক্ষেপ নেওয়া যায়—
হূদযন্ত্রের যত্ন নেওয়া ভালো। উচ্চরক্তচাপ থাকলে হূদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস উঁচুমান কোলেস্টেরল থাকলে আলঝাইমার রোগের ঝুঁকি বাড়ে। মাথায় যাতে আঘাত না লাগে, দেখা উচিত। মাথায় আঘাত লাগার সঙ্গে ভবিষ্যতে আলঝাইমার রোগ হওয়ার একটি সম্পর্ক আছে, বলেন অনেকে। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা উচিত।
প্রতিদিন ব্যায়াম। ধূমপান বর্জন। মদ্যপান বর্জন।
সামাজিক মেলামেশা চালিয়ে যান।
মানসিক ফিটনেস বজায় রাখতে হবে। মগজ খেলানোর জন্য চর্চা, ব্যায়াম। নতুন জিনিস শেখার চেষ্টা করা।
শেষ কথা
স্বাস্থ্যের ঝুঁকিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
ঝুঁকিগুলোকে মনে হবে ভয়ের কিছু, তবে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য যা কিছু দরকার করা উচিত।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ, দৈহিকভাবে সক্রিয় থাকা, ধূমপান করে থাকলে ছেড়ে দেওয়া, নিয়মিত চেকআপ এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম ও চলাফেরায় সতর্ক থাকা, সবই করা ভালো। প্রতিরোধমূলক এসব কাজকর্ম চালিয়ে গেলে দীর্ঘ, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।
স্বাস্থ্যের ঝুঁকিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।
ঝুঁকিগুলোকে মনে হবে ভয়ের কিছু, তবে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য যা কিছু দরকার করা উচিত।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ, দৈহিকভাবে সক্রিয় থাকা, ধূমপান করে থাকলে ছেড়ে দেওয়া, নিয়মিত চেকআপ এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম ও চলাফেরায় সতর্ক থাকা, সবই করা ভালো। প্রতিরোধমূলক এসব কাজকর্ম চালিয়ে গেলে দীর্ঘ, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে।
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল
সাম্মানিক অধ্যাপক, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জানুয়ারী ০৫, ২০১০
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল
সাম্মানিক অধ্যাপক, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জানুয়ারী ০৫, ২০১০
পুরুষদের কয়েকটি স্বাস্থ্যসমস্যা
মে ১২, ২০১৭
No comments

সহস্রাব্দ লক্ষ্যের প্রধান অংশজুড়ে রয়েছে মায়েদের স্বাস্থ্য এবং শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন। এত সব প্রচেষ্টা এবং প্রচার-প্রচারণার ভিড়ে বাবা বা পুরুষদের স্বাস্থ্য সমস্যার বিষয়টি আমরা অবহেলা করছি কি না তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। কারণ, মহিলা ও শিশুদের বিষয়ে সবাই যতটা সহানুভূতি এবং আগ্রহসহকারে স্বাস্থ্যসমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করেন, বাড়ির কর্তাটির কথা সেখানে আজকাল অনেক সময় কারও মনে থাকে না।
পুরুষদের স্বাস্থ্যসমস্যা কী? সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র পুরুষদের স্বাস্থ্যসমস্যার একটি তালিকা করেছে। সেই তালিকাটি কিন্তু অবাক করার মতো ছোট। সেখানে পুরুষদের শত্রু হিসেবে প্রধান সাতটি রোগ-ব্যাধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সাতটি রোগ-ব্যাধির প্রতি নজর দিলে এবং প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে পুরুষ প্রজাতির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা করা যায়।
পুরুষদের স্বাস্থ্যসমস্যা কী? সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র পুরুষদের স্বাস্থ্যসমস্যার একটি তালিকা করেছে। সেই তালিকাটি কিন্তু অবাক করার মতো ছোট। সেখানে পুরুষদের শত্রু হিসেবে প্রধান সাতটি রোগ-ব্যাধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সাতটি রোগ-ব্যাধির প্রতি নজর দিলে এবং প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে পুরুষ প্রজাতির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা করা যায়।
হূদরোগ
পুরুষদের প্রধান শত্রু হূদরোগ। অতএব সব পুরুষকে হূদরোগ প্রতিরোধ করার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে। এ জন্য—
ধূমপান পরিহার করতে হবে। হূৎপিণ্ডের অন্যতম প্রধান শত্রু ধূমপান। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ধূমপান পরিত্যাগ করতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ। শাকসবজি, ফলমূল, আকাড়া শস্যদানা, অতিরিক্ত আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। পরিহার করতে হবে সম্পৃক্ত চর্বি এবং লবণযুক্ত খাবার।
ক্রনিক রোগ পরিহার করতে হবে। যেমন উচ্চরক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে অবশ্যই তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা।
প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। যেকোনো ধরনের শরীরচর্চা কিংবা খেলাধুলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
শরীরের ওজন সীমিত রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন মানেই হূৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত বোঝা।
মদ্যপান পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত অ্যালকোহল রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং তা হূৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগমুক্ত হতে হবে।
পুরুষদের প্রধান শত্রু হূদরোগ। অতএব সব পুরুষকে হূদরোগ প্রতিরোধ করার জন্য সচেষ্ট থাকতে হবে। এ জন্য—
ধূমপান পরিহার করতে হবে। হূৎপিণ্ডের অন্যতম প্রধান শত্রু ধূমপান। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ধূমপান পরিত্যাগ করতে হবে।
স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ। শাকসবজি, ফলমূল, আকাড়া শস্যদানা, অতিরিক্ত আঁশযুক্ত খাবার বেশি খেতে হবে। পরিহার করতে হবে সম্পৃক্ত চর্বি এবং লবণযুক্ত খাবার।
ক্রনিক রোগ পরিহার করতে হবে। যেমন উচ্চরক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস হলে অবশ্যই তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা।
প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। যেকোনো ধরনের শরীরচর্চা কিংবা খেলাধুলা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
শরীরের ওজন সীমিত রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন মানেই হূৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত বোঝা।
মদ্যপান পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত অ্যালকোহল রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় এবং তা হূৎপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগমুক্ত হতে হবে।
ক্যানসার
হূদরোগের পরে পুরুষের দ্বিতীয় প্রধান শত্রু ক্যানসার। ফুসফুস, ত্বক, প্রোস্টেট, অন্ত্র ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারে বহু পুরুষের অকালমৃত্যু হয়। ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর জন্য নিচের পদক্ষেপগুলো বেশ কার্যকরী।
ধূমপান পরিহার। ধূমপান পরিহার করলে যেমন হূদরোগের আশঙ্কা কমে, তেমনি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারলে নানা ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে।
ব্যায়াম করতে হবে। নিয়মিত শরীরচর্চা ওজন কমাতে সাহায্য করে, একইভাবে ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।
প্রচুর শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে। শাকসবজি এবং ফলমূল ক্যানসার প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী।
অতিরিক্ত সৌর আলোক ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। সূর্যের আলোতে অতিরিক্ত ঘোরাঘুরি করলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ক্রিম কিংবা ছাতা ব্যবহার করা উচিত।
মদ্যপান পরিত্যাগ করতে হবে। অতিরিক্ত মদ্যপান করলে অন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, যকৃৎ ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কিছুু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যানসার সুপ্তাবস্থায় বা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়। এ জন্য প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
হূদরোগের পরে পুরুষের দ্বিতীয় প্রধান শত্রু ক্যানসার। ফুসফুস, ত্বক, প্রোস্টেট, অন্ত্র ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারে বহু পুরুষের অকালমৃত্যু হয়। ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর জন্য নিচের পদক্ষেপগুলো বেশ কার্যকরী।
ধূমপান পরিহার। ধূমপান পরিহার করলে যেমন হূদরোগের আশঙ্কা কমে, তেমনি ক্যানসারের ঝুঁকিও কমে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারলে নানা ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে।
ব্যায়াম করতে হবে। নিয়মিত শরীরচর্চা ওজন কমাতে সাহায্য করে, একইভাবে ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায়।
প্রচুর শাকসবজি এবং ফলমূল খেতে হবে। শাকসবজি এবং ফলমূল ক্যানসার প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকরী।
অতিরিক্ত সৌর আলোক ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। সূর্যের আলোতে অতিরিক্ত ঘোরাঘুরি করলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ক্রিম কিংবা ছাতা ব্যবহার করা উচিত।
মদ্যপান পরিত্যাগ করতে হবে। অতিরিক্ত মদ্যপান করলে অন্ত্র, ফুসফুস, কিডনি, যকৃৎ ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
কিছুু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যানসার সুপ্তাবস্থায় বা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায়। এ জন্য প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।
দুর্ঘটনাজনিত স্বাস্থ্যসমস্যা
মোটর-যানবাহন দুর্ঘটনা পুরুষদের মৃত্যুর একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। অতএব পথেঘাটে চলাফেরার সময় সতর্ক থাকতে হবে। যানবাহন ব্যবহারের সময় মাথায় হেলমেট পরা এবং সিটবেল্ট বাঁধা গুরুত্বপূর্ণ। মদ্যপান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় যানবাহন চালানো একদম উচিত নয়।
মোটর-যানবাহন দুর্ঘটনা পুরুষদের মৃত্যুর একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। অতএব পথেঘাটে চলাফেরার সময় সতর্ক থাকতে হবে। যানবাহন ব্যবহারের সময় মাথায় হেলমেট পরা এবং সিটবেল্ট বাঁধা গুরুত্বপূর্ণ। মদ্যপান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় যানবাহন চালানো একদম উচিত নয়।
ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি অবরোধাত্মক ব্যাধি
ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগে অনেক পুরুষের স্বাস্থ্য হানি হয়ে থাকে। বিশেষ করে ক্রনিক ব্রংকাইটিস ও পালমোনারি এসফিসিমায় অনেক পুরুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে থাকে। এ জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত—
ধূমপান পরিহার করতে হবে। ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগের প্রধান কারণ ধূমপান। ধূমপান পরিহার করলে এর থেকে মুক্ত থাকা সহজ হবে।
বায়ুদূষণ পরিহার করতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ধুলাবালি-ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশ।
শ্বাসনালির সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে। ঘন ঘন শ্বাসনালির সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়। অতএব শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।
ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগে অনেক পুরুষের স্বাস্থ্য হানি হয়ে থাকে। বিশেষ করে ক্রনিক ব্রংকাইটিস ও পালমোনারি এসফিসিমায় অনেক পুরুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে থাকে। এ জন্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত—
ধূমপান পরিহার করতে হবে। ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগের প্রধান কারণ ধূমপান। ধূমপান পরিহার করলে এর থেকে মুক্ত থাকা সহজ হবে।
বায়ুদূষণ পরিহার করতে হবে। এড়িয়ে চলতে হবে ধুলাবালি-ধোঁয়াযুক্ত পরিবেশ।
শ্বাসনালির সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে হবে। ঘন ঘন শ্বাসনালির সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগের প্রকোপ বাড়িয়ে দেয়। অতএব শ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকার জন্য সতর্ক থাকতে হবে।
মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত বা স্ট্রোক
মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত ঝুঁকির অনেক উপাদান আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যেমন বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, জাতি ইত্যাদি। কিন্তু কতগুলো উপাদান নিয়ন্ত্রণযোগ্য। যেমন—
ক্রনিক রোগসমূহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ইত্যাদি পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
ধূমপান পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত ধূমপান পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। মদ্যপান পরিহার করে আমরা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারি।
মস্তিষ্কের পক্ষাঘাত ঝুঁকির অনেক উপাদান আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। যেমন বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, জাতি ইত্যাদি। কিন্তু কতগুলো উপাদান নিয়ন্ত্রণযোগ্য। যেমন—
ক্রনিক রোগসমূহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। উচ্চরক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ইত্যাদি পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
ধূমপান পরিহার করতে হবে। অতিরিক্ত ধূমপান পক্ষাঘাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। মদ্যপান পরিহার করে আমরা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারি।
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস, বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস থাকলে শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে হূদরোগ, চোখের রেটিনার সমস্যা, স্নায়ুরোগ এবং আরও অনেক জটিলতা দেখা দেয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অধিকাংশ পুরুষ তাঁদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারেন। এ জন্য—
নিয়মিত জীবনাচরণ মেনে চলতে হবে।
গ্রহণ করতে হবে স্বাস্থ্যকর খাদ্য।
ব্যায়াম করতে হবে নিয়মিত।
কমাতে হবে অতিরিক্ত ওজন ।
ডায়াবেটিস, বিশেষ করে টাইপ-২ ডায়াবেটিস থাকলে শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে হূদরোগ, চোখের রেটিনার সমস্যা, স্নায়ুরোগ এবং আরও অনেক জটিলতা দেখা দেয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অধিকাংশ পুরুষ তাঁদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারেন। এ জন্য—
নিয়মিত জীবনাচরণ মেনে চলতে হবে।
গ্রহণ করতে হবে স্বাস্থ্যকর খাদ্য।
ব্যায়াম করতে হবে নিয়মিত।
কমাতে হবে অতিরিক্ত ওজন ।
আত্মহত্যা প্রবণতা
পুরুষের স্বাস্থ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা আত্মহত্যা-প্রবণতা। সাধারণত বিষণ্নতা থেকে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা জাগে। কারও বিষণ্নতার লক্ষণ-উপসর্গ দেখা গেলে অবশ্যই তার চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে বিষণ্নতা দূর করার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সবশেষে বলতে হয়, পুরুষদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূল সূত্রটি একই—স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো। এর সুফল আমরা যা কল্পনা করি, তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি।
পুরুষের স্বাস্থ্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা আত্মহত্যা-প্রবণতা। সাধারণত বিষণ্নতা থেকে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা জাগে। কারও বিষণ্নতার লক্ষণ-উপসর্গ দেখা গেলে অবশ্যই তার চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে বিষণ্নতা দূর করার মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সবশেষে বলতে হয়, পুরুষদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার মূল সূত্রটি একই—স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো। এর সুফল আমরা যা কল্পনা করি, তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি।
এ আর এম সাইফুদ্দীন একরাম
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জুন ০৮, ২০১১
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মেডিসিন বিভাগ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জুন ০৮, ২০১১
পায়ে জ্বালাপোড়া?
মে ১২, ২০১৭
No comments
পায়ের পাতা দুটি যেন মাঝেমধ্যে মরিচ লাগার মতো জ্বলে। কখনো সুঁই ফোটার মতো বিঁধে। ঝিম ঝিম করে বা অবশও লাগে। প্রায়ই এ ধরনের অনুভূতির কথা শোনা যায় রোগীদের মুখে। এ এক বিরক্তিকর ও যন্ত্রণাকর অনুভূতি। নানা কারণে, এমনকি মানসিক বিপর্যয়েও হতে পারে এই জ্বালাযন্ত্রণা। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পায়ের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলেই এমনটা ঘটে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি।
নিউরোপ্যাথির একটি বড় কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত ও দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস। রক্তে শর্করার আধিক্য ধীরে ধীরে পায়ের স্নায়ুগুলোকে ধ্বংস করে এ ধরনের উপসর্গ সৃষ্টি করে। কিডনি ও থাইরয়েড সমস্যায়, ভিটামিন বি১২ ও বি১-এর অভাব, মদ্যপান, রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস ইত্যাদি রোগেও পায়ের স্নায়ুতে সমস্যা হয়। কিছু ওষুধের প্রতিক্রিয়ায় পায়ে জ্বালাপোড়া হতে পারে, যেমন: যক্ষ্মা রোগে ব্যবহূত আইসোনিয়াজিড, হূদেরাগে ব্যবহূত এমিওড্যারোন, কেমোথেরাপি ইত্যাদি।
তবে সব সময় পায়ে যন্ত্রণা বা জ্বালাপোড়া মানেই যে স্নায়ুতে সমস্যা বোঝায়, তা নয়। আরও কিছু কারণে এ ধরনের অনুভূতির সৃষ্টি হতে পারে। যেমন:
– পায়ে ছত্রাক সংক্রমণ
– পায়ে রক্ত চলাচলে সমস্যা
– মহিলাদের মেনোপোজের পর
– অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ
তবে সব সময় পায়ে যন্ত্রণা বা জ্বালাপোড়া মানেই যে স্নায়ুতে সমস্যা বোঝায়, তা নয়। আরও কিছু কারণে এ ধরনের অনুভূতির সৃষ্টি হতে পারে। যেমন:
– পায়ে ছত্রাক সংক্রমণ
– পায়ে রক্ত চলাচলে সমস্যা
– মহিলাদের মেনোপোজের পর
– অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মানসিক চাপ
কী করবেন?
জ্বালাপোড়া হঠাৎ শুরু হয়ে খারাপের দিকেই যাচ্ছে বা এর সঙ্গে পায়ের আঙুল বা পাতায় অনুভূতি কমে যাচ্ছে, অবশ মনে হচ্ছে ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে অবহেলা করবেন না। আপনার পায়ের স্নায়ু ঠিক আছে কি না তা বোঝার জন্য অনেক সময় কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষারও প্রয়োজন নেই। চিকিৎসক একটি আলপিন বা একটি টিউনিং ফর্ক ব্যবহার করেই পায়ের অনুভূতিগুলো যাচাই করে নিতে পারবেন।
জ্বালাপোড়া হঠাৎ শুরু হয়ে খারাপের দিকেই যাচ্ছে বা এর সঙ্গে পায়ের আঙুল বা পাতায় অনুভূতি কমে যাচ্ছে, অবশ মনে হচ্ছে ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে অবহেলা করবেন না। আপনার পায়ের স্নায়ু ঠিক আছে কি না তা বোঝার জন্য অনেক সময় কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষারও প্রয়োজন নেই। চিকিৎসক একটি আলপিন বা একটি টিউনিং ফর্ক ব্যবহার করেই পায়ের অনুভূতিগুলো যাচাই করে নিতে পারবেন।
– ডায়াবেটিসের রোগীরা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখুন, পায়ের যত্ন নিতে শিখুন।
– যাঁদের পায়ের স্নায়ু সমস্যা আছে, তাঁরা পায়ের যেকোনো ক্ষতের দ্রুত চিকিৎসা করুন। পায়ে গরম সেঁক নিতে, নখ কাটতে, জুতা বাছাই করতে সাবধান হোন।
– পায়ের সমস্যার জন্য সব সময় যে ভিটামিনের অভাবই দায়ী, তা নয়। তাই সব ধরনের সমস্যায় ভিটামিন বি খেয়ে উপকার পাওয়া যাবে না।
– দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমান। প্রয়োজনে চিকিৎসা নিন।
– নিউরোপ্যাথি আছে প্রমাণিত হলে স্নায়ুর যন্ত্রণা লাঘব করে এমন কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, চিকিৎসকের পরামর্শে সেগুলো সেবন করতে পারেন।
– যাঁদের পায়ের স্নায়ু সমস্যা আছে, তাঁরা পায়ের যেকোনো ক্ষতের দ্রুত চিকিৎসা করুন। পায়ে গরম সেঁক নিতে, নখ কাটতে, জুতা বাছাই করতে সাবধান হোন।
– পায়ের সমস্যার জন্য সব সময় যে ভিটামিনের অভাবই দায়ী, তা নয়। তাই সব ধরনের সমস্যায় ভিটামিন বি খেয়ে উপকার পাওয়া যাবে না।
– দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ কমান। প্রয়োজনে চিকিৎসা নিন।
– নিউরোপ্যাথি আছে প্রমাণিত হলে স্নায়ুর যন্ত্রণা লাঘব করে এমন কিছু ওষুধ পাওয়া যায়, চিকিৎসকের পরামর্শে সেগুলো সেবন করতে পারেন।
ডা. মৌসুমী মরিয়ম সুলতানা
মেডিসিন বিভাগ, ইউনাইটেড হাসপাতাল।
মেডিসিন বিভাগ, ইউনাইটেড হাসপাতাল।
মূত্রনালির কিছু সমস্যা ও সমাধান
মে ১২, ২০১৭
No comments

শরীর থেকে বর্জ্য নিঃসরণ কিডনি ও মূত্রতন্ত্রের মূল কাজ। শরীরে পানি ও লবণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও কিডনি মূত্রতন্ত্র রাখে বিশেষ অবদান। বর্জ্য নিঃসরণে মূত্রতন্ত্রের অপর্যাপ্ত ক্ষমতা বা অক্ষমতায় এসব বর্জ্য শরীরে জমা হয়ে আমাদের শরীরের সুস্থ আবহকে বিঘ্নিত করে।
স্বাভাবিক প্রস্রাবের অভ্যাস কেমন?
একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় সাধারণত ২ দশমিক ৫ থেকে তিন লিটার পানি বা পানীয় পান করে থাকে।
কিডনির কাজ করার ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলে, পারিপার্শ্বিক আবহাওয়ার খুব বড় তারতম্য না হলে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৫০০ সিসি প্রস্রাব কিডনি তৈরি করে থাকে। আমাদের শরীর থেকে কিছু পানি ঘাম আকারে, কিছু পানি শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে, কিছু পানি মলের সঙ্গে বের হয়ে যায়।
যেহেতু আমাদের প্রস্রাবের থলির স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ৩০০ সিসি, তাই স্বাভাবিকভাবে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচবার প্রস্রাব করে থাকে।
সাধারণত দিনে চারবার আর রাতে একবার।
তবে নানাবিধ স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক কারণে বারবার প্রস্রাবের প্রবণতা দেখা দিতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। যদি আমরা অতিরিক্ত পানি বা তরলজাতীয় খাবার খাই, তবে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হয়, বারবার প্রস্রাব হয়। বারবার প্রস্রাব হয় ডায়াবেটিসেও। অন্যদিকে পুরুষের ক্ষেত্রে বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে বয়সজনিত স্বাভাবিক পরিবর্তন হিসেবেই বৃদ্ধি ঘটে প্রোস্টেট গ্রন্থির। প্রোস্টেট গ্রন্থি প্রস্রাব প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে। ফলে প্রস্রাবের থলি সব সময় সম্পূর্ণ খালি হয় না। আর বৃদ্ধি পাওয়া প্রোস্টেট সৃষ্টি করে প্রস্রাবের থলির মুখে এক ধরনের অস্বস্তি।
বয়োবৃদ্ধির কারণে নারী-পুরুষনির্বিশেষে সবার প্রস্রাবের থলিরই ধারণক্ষমতা কমে যায়। বারবার প্রস্রাব করার প্রবণতা বেড়ে যায়।
একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় সাধারণত ২ দশমিক ৫ থেকে তিন লিটার পানি বা পানীয় পান করে থাকে।
কিডনির কাজ করার ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলে, পারিপার্শ্বিক আবহাওয়ার খুব বড় তারতম্য না হলে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৫০০ সিসি প্রস্রাব কিডনি তৈরি করে থাকে। আমাদের শরীর থেকে কিছু পানি ঘাম আকারে, কিছু পানি শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে, কিছু পানি মলের সঙ্গে বের হয়ে যায়।
যেহেতু আমাদের প্রস্রাবের থলির স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ৩০০ সিসি, তাই স্বাভাবিকভাবে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচবার প্রস্রাব করে থাকে।
সাধারণত দিনে চারবার আর রাতে একবার।
তবে নানাবিধ স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক কারণে বারবার প্রস্রাবের প্রবণতা দেখা দিতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। যদি আমরা অতিরিক্ত পানি বা তরলজাতীয় খাবার খাই, তবে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হয়, বারবার প্রস্রাব হয়। বারবার প্রস্রাব হয় ডায়াবেটিসেও। অন্যদিকে পুরুষের ক্ষেত্রে বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে বয়সজনিত স্বাভাবিক পরিবর্তন হিসেবেই বৃদ্ধি ঘটে প্রোস্টেট গ্রন্থির। প্রোস্টেট গ্রন্থি প্রস্রাব প্রবাহে বাধার সৃষ্টি করে। ফলে প্রস্রাবের থলি সব সময় সম্পূর্ণ খালি হয় না। আর বৃদ্ধি পাওয়া প্রোস্টেট সৃষ্টি করে প্রস্রাবের থলির মুখে এক ধরনের অস্বস্তি।
বয়োবৃদ্ধির কারণে নারী-পুরুষনির্বিশেষে সবার প্রস্রাবের থলিরই ধারণক্ষমতা কমে যায়। বারবার প্রস্রাব করার প্রবণতা বেড়ে যায়।
প্রস্রাব করা বা না করার এই নিয়ন্ত্রণ কি সব সময় রক্ষা করা সম্ভব?
না। তবে অবশ্যই তা স্বাভাবিক নয়। নানা ধরনের স্নায়ুবিক অসুস্থতা, প্রস্রাবের থলির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে যেসব স্নায়ু তার বৈকল্য বা সমন্বয়হীনতা, প্রস্রাব প্রদাহে, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বৃদ্ধি ও প্রস্রাবের থলির নানাবিধ অসুস্থতায় এ নিয়ন্ত্রণ সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বিঘ্নিত হতে পারে। ব্যক্তি যখন এ নিয়ন্ত্রণ হারায়, তখন সে আর পারে না নিজ ইচ্ছানুসারে প্রস্রাব করতে। কখনো কখনো কারও কারও ক্ষেত্রে ঘটে অনভিপ্রেত অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজের অজান্তে প্রস্রাব ঝরে যাওয়ার মতো বিব্রতকর ঘটনা, যা কেবল অসুস্থতাই নয়, সামাজিকভাবে বিব্রতকরও বটে। তবে এসবই নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও নিরাময়যোগ্য। প্রয়োজন শুধু সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
না। তবে অবশ্যই তা স্বাভাবিক নয়। নানা ধরনের স্নায়ুবিক অসুস্থতা, প্রস্রাবের থলির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে যেসব স্নায়ু তার বৈকল্য বা সমন্বয়হীনতা, প্রস্রাব প্রদাহে, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বৃদ্ধি ও প্রস্রাবের থলির নানাবিধ অসুস্থতায় এ নিয়ন্ত্রণ সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বিঘ্নিত হতে পারে। ব্যক্তি যখন এ নিয়ন্ত্রণ হারায়, তখন সে আর পারে না নিজ ইচ্ছানুসারে প্রস্রাব করতে। কখনো কখনো কারও কারও ক্ষেত্রে ঘটে অনভিপ্রেত অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজের অজান্তে প্রস্রাব ঝরে যাওয়ার মতো বিব্রতকর ঘটনা, যা কেবল অসুস্থতাই নয়, সামাজিকভাবে বিব্রতকরও বটে। তবে এসবই নিয়ন্ত্রণযোগ্য ও নিরাময়যোগ্য। প্রয়োজন শুধু সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
স্বাভাবিক প্রস্রাব কেমন?
স্বাভাবিক প্রস্রাব পরিষ্কার, রংহীন বা হলুদাভ। প্রস্রাব পরিত্যাগের প্রক্রিয়াটি বাধাহীন, ব্যথাশূন্য সম্পূর্ণই স্বস্তিকর। প্রক্রিয়াটি শুরু করা যায় নিজ ইচ্ছায়, প্রয়োজন হয় না কোনো চাপ দেওয়ার। গতি থাকে একটানা, শেষ হয় ২০ সেকেন্ডে।
প্রক্রিয়াটি শেষ করে অনুভব করা যায় এক স্বাভাবিক পরিতৃপ্তি।
যদি প্রস্রাব হয় ঘোলা, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত বা অস্বাভাবিক দুর্গন্ধযুক্ত, প্রক্রিয়াটি যদি হয় ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণাপূর্ণ, তাহলে এটি স্বাভাবিক নয়। এমনটা হতে পারে প্রস্রাবের প্রদাহসহ নানাবিধ অসুস্থতায়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন সঠিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। প্রস্রাবের রং যদি লাল হয় বা থাকে, তাতে রক্তের অস্তিত্বের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। ব্যথাশূন্য প্রস্রাব পরিত্যাগ-প্রক্রিয়ায় যদি প্রস্রাবে রক্ত থাকে, তবে তা নিতে হবে অতীব জরুরি ও ঝুঁকিপূর্ণ স্বাস্থ্যসমস্যা হিসেবে। সামান্য কালক্ষেপণও এ ক্ষেত্রে হতে পারে অসামান্য ক্ষতির কারণ। অথচ সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ, রোগনির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসায় এ ধরনের জীবনঘাতী অসুস্থতা নিয়ন্ত্রণ নয় শুধু, অনেক ক্ষেত্রেই নিরাময় সম্ভব।
স্বাভাবিক প্রস্রাব পরিষ্কার, রংহীন বা হলুদাভ। প্রস্রাব পরিত্যাগের প্রক্রিয়াটি বাধাহীন, ব্যথাশূন্য সম্পূর্ণই স্বস্তিকর। প্রক্রিয়াটি শুরু করা যায় নিজ ইচ্ছায়, প্রয়োজন হয় না কোনো চাপ দেওয়ার। গতি থাকে একটানা, শেষ হয় ২০ সেকেন্ডে।
প্রক্রিয়াটি শেষ করে অনুভব করা যায় এক স্বাভাবিক পরিতৃপ্তি।
যদি প্রস্রাব হয় ঘোলা, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত বা অস্বাভাবিক দুর্গন্ধযুক্ত, প্রক্রিয়াটি যদি হয় ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণাপূর্ণ, তাহলে এটি স্বাভাবিক নয়। এমনটা হতে পারে প্রস্রাবের প্রদাহসহ নানাবিধ অসুস্থতায়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন সঠিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। প্রস্রাবের রং যদি লাল হয় বা থাকে, তাতে রক্তের অস্তিত্বের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। ব্যথাশূন্য প্রস্রাব পরিত্যাগ-প্রক্রিয়ায় যদি প্রস্রাবে রক্ত থাকে, তবে তা নিতে হবে অতীব জরুরি ও ঝুঁকিপূর্ণ স্বাস্থ্যসমস্যা হিসেবে। সামান্য কালক্ষেপণও এ ক্ষেত্রে হতে পারে অসামান্য ক্ষতির কারণ। অথচ সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণ, রোগনির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসায় এ ধরনের জীবনঘাতী অসুস্থতা নিয়ন্ত্রণ নয় শুধু, অনেক ক্ষেত্রেই নিরাময় সম্ভব।
কাজী রফিকুল আবেদীন
সহকারী অধ্যাপক, ইউরোলজি, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, নভেম্বর ০২, ২০১১
সহকারী অধ্যাপক, ইউরোলজি, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, নভেম্বর ০২, ২০১১
চুম্বনে জীবানু ছড়ায়
মে ১২, ২০১৭
No comments
চুম্বন হল প্রেমের চিহ্ন৷ প্রেমকে প্রকাশ করার একটা মাধ্যম৷ চুম্বনের মধ্যে একটা মিষ্টি ছোঁওয়া আছে৷ যা প্রেমের মাত্রাকে দ্বিগুণ করে দেয়৷ কিন্তু বৈজ্ঞানিকরা বলছেন চুম্বন নাকি মহিলাদের জন্য ভীষণই ক্ষতিকর৷ বৈজ্ঞানিকদের মতে ঠোঁটের মধ্যে মুখ রেখে চুম্বনের মধ্যে দিয়ে যে লালাটা বের হয়, তার মধ্যে দিয়ে মহিলাদের শরীরে পুরুষদের শরীর থেকে সাইটোমেগালোভাইরাস প্রবেশ করে৷
এই ভাইরাস সাধারণত ক্ষতি না করলেও অন্তসত্ত্বা মহিলাদের জন্য তা বিপদ ডেকে নিয়ে আসে৷ ঐ ভাইরাস গর্ভস্থ শিশুর স্বাস্থ্যকে নানা ভাবে প্রভাবিত করে৷ কখনও ঐ ভাইরাসের প্রভাবে গর্ভস্থ শিশুর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে৷ এর ফলে গর্ভস্থ শিশু বধির হয়ে জন্মাতে পারে৷
এমনকি তারা সেলিব্রাল পালসিতেও আক্রান্ত হতে পারে৷ তবে বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন যদি ক্রমাগত একই ব্যক্তিকে ছয় মাস কোন মহিলা চুম্বন করেন তাহলে তাদের মধ্যে এই ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা জন্মে যায়৷ তখন গর্ভস্থ শিশুর উপর তা কোন ভাবেই প্রভাব ফেলতে পারে না৷
সূত্রঃ ওয়েবদুনিয়া, ১ নভেম্বর ২০০৯
পরোক্ষ ধূমপানে শিশুর যত ক্ষতি
মে ১২, ২০১৭
No comments

শিশুটি আপনমনে খেলা করছে বাড়িতে। পরম নির্ভরতার সঙ্গে কাছে রয়েছেন বাবা। কিন্তু তিনি টিভি দেখতে দেখতে ধূমপান করছেন। কিন্তু জানেন কি, এই প্রিয় বাবাই সবচেয়ে বড় ক্ষতি করছেন নিজের সন্তানের? অনেকেই শিশুদের সামনে ধূমপান করেন। শিশুর জন্য এই পরোক্ষ ধূমপান মারাত্মক ক্ষতি ও হুমকির কারণ হতে পারে।
পরোক্ষ ধূমপানের ফলে শিশুর ধমনির ক্ষতি হতে পারে। এতে পরিণত বয়সে তাদের হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। শিশুরা এমনিতে দ্রুত শ্বাস নেয়, তা ছাড়া তাদের শ্বাসতন্ত্রও অপরিণত। তাই সিগারেটের ধোঁয়া সহজেই শিশুদের শ্বাসতন্ত্রে প্রবেশ করে সমূহ ক্ষতি করে। পরোক্ষ ধূমপানের কারণে শিশুর নিউমোনিয়া, ব্রংকিওলাইটিস, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি ইত্যাদি রোগ হয়।
পরোক্ষ ধূমপানের শিকার মানুষের শরীরের শ্বেত রক্তকণিকা ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। ফলে শিশু অল্পতেই রোগাক্রান্ত হয়। যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর পরোক্ষ ধূমপানের কারণে ১৭ হাজার শিশু বিভিন্ন রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এ ছাড়া মধ্যকর্ণের প্রদাহ, বধিরতা, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ঝিমুনি, অস্থিরতাও হতে পারে। শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা ও মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় সিগারেটের ধোঁয়ায়। যুক্তরাষ্ট্রে এক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব শিশু গণিত ও যুক্তিবিদ্যায় কম পারদর্শী, তাদের বেশির ভাগেরই মা-বাবা ধূমপায়ী। এরা শিক্ষক ও সহপাঠীর সঙ্গে সঠিক আচরণ করতেও শেখে না।
গর্ভাবস্থায় মা ধূমপান করলে সন্তানের মারাত্মক ক্ষতি হয়। কারণ, গর্ভস্থ সন্তানের শরীরে যে রক্ত বাহিত হয়, তার অক্সিজেন ধারণক্ষমতা কমিয়ে দেয় তামাকের কার্বন মনোক্সাইড। নিকোটিন গর্ভফুলের রক্ত সরবরাহ হ্রাস করে। ফলে মায়ের শরীর থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি গর্ভস্থ সন্তানের শরীরে যেতে পারে না, তাই শিশুর বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়। এ ছাড়া ধূমপানের কারণে গর্ভপাত কিংবা অপরিণত শিশু জন্মাতে পারে। এই অপরিণত শিশুরা আবার সংক্রমণ বা অন্য কোনো কারণে মৃত্যুর ঝুঁকির মধ্যে থাকে।
গবেষণায় আরও দেখা যায়, পরিবারে বাবা, বড় ভাই বা অন্য কেউ ধূমপান করলে শিশুরা সহজেই আকৃষ্ট হয়। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে সময় এসেছে সচেতন হওয়ার। প্রকাশ্য স্থানে এবং বাড়িতে—সব জায়গায়ই ধূমপান বর্জন করুন।
ডা. আবু সাঈদ
২৮ মে ২০১৫, ০১:৩২
শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো
২৮ মে ২০১৫, ০১:৩২
শিশু বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো
পুরুষত্বে সমস্যা – ঘরোয়া সমাধান
মে ১২, ২০১৭
No comments

বর্তমান যুগে বেশীর ভাগ পুরুষের মধ্যে একটা সমস্যা বেশ প্রকট হয়ে উঠছে৷ দিন যত যাচ্ছে পুরুষের মধ্যে নপুংসকতা বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের যৌণ ইচ্ছা ক্রমশঃ কমে যাচ্ছে৷ কাজেই আপনার যৌন চাহিদা কমে যাওয়ার আগে থেকে আপনি সচেতন হয়ে যান৷ জেনে নিন কেন আপনার মধ্যে থেকে এই চাহিদা ক্রমঃ ক্ষয়মান৷
এই কারণে ডাক্তারের কাছে যেতে কুন্ঠিত বোধ করছেন? তবে চিন্তা করবেন না কারণ এর চিকিত্সা আপনি এখন আপনার বাড়িতেও করতে পারেন৷ আর আপনি একবার এই সমস্যার সন্মুখীন হলে পরবর্তী সম্পূর্ণ জীবন আপনাকে এভাবে কাটাতে হবে এমন কোন আশঙ্কাতে আপনি থাকবেন না৷
হোম রেমেডি পুরুষের এই সমস্যা সমাধানের জন্য এগিয়ে এসেছে৷ তারা যাতে আবার তাদের পূর্ণ যৌন ইচ্ছা ফিরে পায় তার উপায় বার করেছে হোম রেমেডি৷ যাদের মধ্যে এই অসুবিধা সবে মাত্র দেখা দিয়েছে তাদের ক্ষত্রে হোম রেমেডি কার্যকরী হতে পারে৷ কিছু কিছু ক্ষেত্রে হোম রেমেডি দ্বারা চিকিত্সা করা যায় কিন্তু সবক্ষেত্রে হোম রেমেডি প্রযোজ্য নয়৷
এবার আসুন জানা যাক যৌন অক্ষমতার প্রথম ধাপের চিকিত্সাতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য কিকি সামগ্র্রী কাজে লাগতে পারে বা তা ব্যবহারে কি উপকার সাধিত হয়–
রসুন :
যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়্ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন খুব ই কার্যকরী৷
যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং immune booster হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়্ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷ কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন খুব ই কার্যকরী৷
প্রতিদিন দু থেকে তিনটি রসুনের কোয়া কাঁচা অবস্থায় চিবিয়ে খান৷ এতে আপনার যৌন ইচ্ছা কমে গিয়ে থাকলে তা বৃদ্ধি পাবে৷ এ ছাড়া গমের তৈরি রুটির সঙ্গে রসুন মিশিয়ে খেলে তা আপনার শরীরে স্পার্ম উত্পাদনের মাত্রা বাড়ায় এবং সুস্থ স্পার্ম তৈরিতে এটি সাহায্য করে৷
পেঁয়াজ :
কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকে ই ব্যবহূত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কিভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখন ও পর্যন্ত সঠিক ভাবে জানা যায় নি৷
কাম-উত্তেজক ও কামনা বৃদ্ধিকারী হিসাবে পেঁয়াজ বহুদিন থেকে ই ব্যবহূত হয়ে আসছে৷ কিন্তু এটি কিভাবে এই বিষয়ে কার্যকরী তা এখন ও পর্যন্ত সঠিক ভাবে জানা যায় নি৷
সাদা পেঁয়াজ পিষে নিয়ে তাকে মাখনের মধ্যে ভালো করে ভেঁজে নিয়ে তা প্রতিদিন মধুর সঙ্গে খেলে তা থেকে উপকার পাওয়া যায়৷ কিন্তু একটি বিষয় মনে রাখবেন, এটি খাওয়ার আগে ঘণ্টা দুয়েক সময় আপনার পেট খালি রাখবেন৷ এইভাবে প্রতিদিন খেলে স্খলন, শীঘ্রপতন বা ঘুমের মধ্যে ধাতুপতন (যাকে এক কথায় spermatorrhea বলা হয়) ইত্যাদি সমস্যার সমাধান হওয়া সম্ভব৷
এছাড়া পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কালো খোসা সমেত বিউলির ডালের গুঁড়ো সাত দিন পর্যন্ত ভিজিয়ে রেখে তাকে শুকিয়ে নিন৷ এঅটির নিয়্মিত ব্যবহার আপনার কাম-উত্তেজনা বজায় রাখবে এবং শারীরিক মিলনকালীন সুদৃঢ়তা বজায় রাখবে৷
গাজর :
150গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা কম হতে পারে৷
150গ্রাম গাজর কুঁচি এক টেবিল চামচ মধু এবং হাফ-বয়েল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে দুমাস খেলে আপনার শারীরিক এই অক্ষমতা কম হতে পারে৷
কাজেই এখন আর দুধ্চিন্তা করবেন না৷ সমস্যার একেবারে প্রথম ধাপে আপনি বাড়িতে এই পদ্ধতি গুলি মেনে চলে দেখুন হয়তঃ প্রাথমিক ধাপে এই সমস্যার সমাধান হতে পারে৷
গরমকালের রোগ-বালাই,প্রয়োজন সচেতনতা
মে ১১, ২০১৭
No comments

গরমকালে সাধারণত যেইসব বিষয় গুলো লক্ষনীয় এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সর্দি-কাশি, হিট স্ট্রোক এরপর আসে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা ,ঘামাচি ,পানিশুন্যতা ইত্যাদি । কিন্তু এগুলো ছাড়াও এই সময় আরো বেশ কিছু রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে। জেনে নিন এই রোগগুলো কি কি এবং কিভাবে এর থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
চিকেন পক্সঃ শিশুদের মধ্যে এইসময় এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশ দেখা যায়। Varicella Zoster নামক ভাইরাসের কারণে এই রোগ হয়। এটা মূলত বায়ুবাহিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এই রোগ বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। তাছাড়া হাঁচি-কাশি না থাকলেও এই রোগ ছড়াতে পারে। মূলত আক্রান্ত ব্যক্তিকে ছুঁয়ে দিলে অথবা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে এই রোগের ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করলে অন্য সুস্থ ব্যাক্তি অর্থাৎ যার কখনো চিকেন পক্স হয়নি বা যে এই রোগের ভ্যাক্সিন নেয়নি সে ব্যক্তি দ্রুত আক্রান্ত হয়ে পড়ে। এই রোগের প্রভাবে আক্রান্ত ব্যক্তির পুরো শরীরে ফোস্কার মতো হয়ে যায় এবং প্রচন্ড চুলকানি হয়। আক্রান্ত ব্যক্তির ফোস্কার পানিও এই রোগ সংক্রামিত হওয়ার অন্যতম কারন।তাই রোগীর সংস্পর্শ সতর্কতার সাথে এড়িয়ে চলা উচিত অথবা দেখা করার পর হাত ও পরিধেয় কাপড়-চোপড় ভালো করে জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলা উচিত। এইসময় ডাক্তারের পরামর্শমতো ওষুধ ও চিকিৎসা নেয়া উচিত। এছাড়া বর্তমানে চিকেন পক্সের ভ্যাক্সিনও রয়েছে। সময়মতো ভ্যাক্সিন নিয়ে নেয়া উচিত।
হামঃ Measles virus এর কারণে হাম হয়। হাম ছোঁয়াচে রোগ। এই রোগও চিকেন পক্সের মতো করেই ছড়িয়ে পড়ে। সর্দি ,কাশি, খুব বেশি জ্বর এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া মূলত এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। পরবর্তীতে লাল লাল র্যাশ সারা গায়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং মুখের ভেতরের দিকেও সাদা ফুসকুড়ি হয়। প্রাথমিক লক্ষণগুলো দেখা যাওয়ার ২/৩ দিনের মধ্যেই এইসব লক্ষণ প্রকাশ পায় । এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে শিশুদের ছোটবেলায়ই MMR ভ্যাক্সিন দেয়া হয়।
হামঃ Measles virus এর কারণে হাম হয়। হাম ছোঁয়াচে রোগ। এই রোগও চিকেন পক্সের মতো করেই ছড়িয়ে পড়ে। সর্দি ,কাশি, খুব বেশি জ্বর এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া মূলত এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। পরবর্তীতে লাল লাল র্যাশ সারা গায়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং মুখের ভেতরের দিকেও সাদা ফুসকুড়ি হয়। প্রাথমিক লক্ষণগুলো দেখা যাওয়ার ২/৩ দিনের মধ্যেই এইসব লক্ষণ প্রকাশ পায় । এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে শিশুদের ছোটবেলায়ই MMR ভ্যাক্সিন দেয়া হয়।
হেপাটাইটিস এঃ হেপাটাইটিস এ পানিবাহিত রোগ। হেপাটাইটিস এ ভাইরাসের মাধ্যমে এই রোগ হয়। এই রোগ মানুষের লিভারকে (যকৃত) আক্রমণ করে। এর ফলে জন্ডিস দেখা দেয় অর্থাৎ চোখ, ত্বক হলুদ রঙের হয়ে যায় এবং প্রস্রাব গাঢ় রঙের হয়ে যায়। হেপাটাইটিস এ এর ভ্যাক্সিন রয়েছে। তবে ব্যাক্তিগত সতর্কতা খুব বেশি প্রয়োজন। বাইরের খোলা খাবার, শরবত খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে এবং পানি অবশ্যই ফুটিয়ে পান করতে হবে।
টাইফয়েডঃ টাইফয়েড একপ্রকার পানিবাহিত রোগ। Salmonella typhi নামক জীবাণু থেকে এইরোগের বিস্তার। খুব জ্বর, মাথা ঘুরানো, বমি বমি লাগা, দুর্বলতা, প্রচন্ড পেট ব্যাথা, মাথা ব্যথা, ক্ষুধা মন্দা, এবং মাঝে মাঝে র্যাশ এই রোগের লক্ষণ। যথাসময়ে চিকিৎসকের সঠিক চিকিৎসা ও পরামর্শ নিলে সুস্থতা সম্ভব। এছাড়া বর্তমানে টাইফয়েডের ভ্যাক্সিনও পাওয়া যায়।
তাই এই সময় শিশুসহ সকলকেই সাবধানে এবং সতর্কতার সাথে জীবন-যাপন করা উচিত। সচেতনতাই হতে পারে সর্বোত্তম প্রতিকার।
নখের কোনা বেঁকে যায়? এর সমাধান কি?
মে ১১, ২০১৭
No comments

নখ কাটলে আবার নখ উঠে। বড় হয়,তখন আবার কাটাতে হয়।এটা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া যদি অস্বাভাবিক হয়ে যায় তখন কেমন হবে? আরেকটু খুলে বলি। আঙ্গুলের একটা নখ সোজাসুজি না বেড়ে বাঁকা হয়ে চামড়া ফুঁড়ে মাংসের মধ্যে গেঁথে বড় হতে শুরু করে। তখন আঙ্গুল ফুলে যায়।
কারণঃ এই সমস্যার পেছনে কারণ কি হতে পারে, আসুন জেনে নেই।
- নখ কাটার সময় অনেকেই নখের কোণাও কেটে ফেলেন। এই কারণে নখ আবার বড় হওয়ার সময় বাঁকা হয়ে উঠতে পারে।
- খুব আঁটসাঁট মোজা, পায়ের সাইজের তুলনায় ছোট সাইজের জুতা পড়ার কারণে এই সমস্যা হতে পারে।
- যাদের হাত-পা খুব ঘামে,তাদের এই সমস্যা হতে পারে। ঘামানোর কারণে তাদের নখের পাশের চামড়া নরম হয়ে যায়। ফলে নখ বাঁকা হয়ে যায়।
- কোনো আঘাত বা জন্মগত কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।
- জেনেটিক কারণেও এমন হতে পারে।
এই সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে হলে আপনাকে যা যা করতে হবে-

কখনো নখের কোনা কাটবেন না। নখ যথাসম্ভব সোজা কাটার চেষ্টা করুন।

সঠিক মাপের জুতা পড়ুন।

আঁটসাঁট মোজা পড়া থেকে বিরত থাকুন।

মোজা প্রতিদিন পরিস্কার রাখুন।
সমস্যা খুব বেশি বেড়ে গেলে বা অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেলে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
মোবাইল ফোন ব্যবহারে ব্রেন টিউমার!
মে ০৪, ২০১৭
No comments
Mobile App বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০১৭
হোম » ডাক্তার আছেন
মোবাইল ফোন ব্যবহারে ব্রেন টিউমার!
মস্তিষ্কে টিউমার সৃষ্টির জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহারের সংযোগ রয়েছে বলে রায় দিয়েছেন ইতালির একটি আদালত। রবার্টো রোমিও নামের এক ব্যক্তির মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ১১ এপ্রিল আদালত এ রায় দেন। তবে বিষয়টি প্রকাশ করা হয় বৃহস্পতিবার। ওই ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় একটি সংস্থাকে নির্দেশও দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৫ বছর ধরে একটি সংস্থায় কাজ করেছেন ৫৭ বছর বয়সী রবার্টো রোমিও। সেখানে প্রতিদিন ৩/৪ ঘণ্টা মোবাইলে কথা বলাই ছিল তার দায়িত্ব।
রোমিও বলেন, ‘সংস্থার কাজেই সহকর্মী ও গ্রাহকদের সঙ্গে আমাকে প্রতিদিন ফোনে কথা বলতে হতো। এর বাইরে আমার কোনো বিকল্প ছিল না। ১৫ বছর ধরে আমি অফিসে, বাসায় এমনকি গাড়িতে ফোনালাপ করেছি।
তারপর একসময় বুঝতে পারি, আমার ডান কান ব্লক হয়ে গেছে। ২০১০ সালে আমার প্রথম ব্রেন টিউমার ধরা পড়ে। এর চিকিৎসায় আমার শ্রবণেন্দ্রিয় নার্ভটাই কেটে ফেলা হয়েছে। ফলে ডান কানে আর কিছুই শুনতে পাই না।’
আদালতে রোমিওর পক্ষে একজন চিকিৎসক বলেন, মাত্রাতিরিক্ত ফোনালাপে তার শরীরের ২৩ শতাংশের কার্যকারিতা নষ্ট করে দিয়েছে। এ বক্তব্যে আদালত কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার আওতায় ইতালির জাতীয় ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন রোমিওকে প্রতি মাসে ৫০০ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়।
রোমিওর আইনজীবী স্টিফানো বারটোন ও রেনাটো অ্যামব্রোশিও এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো বিশ্বের কোনো আদালত অসঙ্গত মোবাইল ব্যবহারের সঙ্গে ব্রেন টিউমারের সংযোগের স্বীকৃতি দিলেন।’
এই গরমে ত্বকের যত্ন
মে ০৪, ২০১৭
No comments
গরমে ঘামে ও সূর্যের বেগুনি রশ্মির কারণে ত্বক বিবর্ণ হয়ে যায়। এতে মলিন দেখায় আপনাকে।
সূর্যের বেগুনি রশ্মির তোপে ত্বকের সূক্ষ্মস্তরগুলো ভেঙে যেতে পারে। এতেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ত্বক।
এছাড়া বেগুনি রশ্মিতে কোষগুলো মরে বিবর্ণ ত্বকের সৃষ্টি করে। এতে ত্বকের ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। তাই এসময়ে ত্বকের বাড়তি যত্ন নেয়াটা বেশ জুরুরি।
সঠিক পন্থায় ত্বকের যত্ন নিতে যা করবেন তা নিন্মে দেয়া হলো:
* সূর্যের বেগুনি রশ্মি হতে রক্ষা পেতে এবং ত্বককে উজ্জ্বল ও সতেজ রাখতে ছাতা বা টুপি সঙ্গে রাখুন।
* সানগ্লাস এবং সানস্ক্রিন লোশন বা ক্রিম অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। সানস্ক্রিন লোশন বা ক্রিম শুধু সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি প্রতিহত করতে সক্ষম। ত্বকে এসপিএফ ১৫-৩০ সানস্ক্রিন লোশন রোদে বের হওয়ার ৩০ মিনিট আগে ব্যবহার করতে পারেন।
* অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা পানি দুটিই ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই ত্বকে মৃদু-উষ্ণ পানি ব্যবহার করাই ভালো। ত্বকের শুষ্কতারোধের ও আর্দ্রতা রক্ষায় প্রতিদিন ১০-১২ গ্লাস পানি পান করতে হবে।
* গরমে ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাক সংক্রমণ হতে রক্ষা পেতে কম ক্ষারযুক্ত বেবিসোপ বা গ্লিসারিন ব্যবহার করতে হবে।
* এ সময়ে ত্বকে ময়শ্চারাইজিং ব্যবহার একান্ত জরুরি। কারণ মুখে ধুলো ময়লা ঘাম জমে লেমিকুপ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ব্রণের সমস্যা দেখা যায়। তাই অয়েল ফ্রি ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।
* গরমে ত্বকের নানাবিধ সমস্যা দেখা যায়, যেমন: ঘামাচি, চুলকানি এবং ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
* গরমে সুতির পোশাক ব্যবহার করুন। কারণ ঘাম হলে পোশাক ভিজে যায়। আর এই ভিজে কাপড় পরে থাকলে ত্বকে ছত্রাক সংক্রমণ বা দাদ হওয়ার আশংকা থাকে। আবার দেহের ভাঁজযুক্ত স্থানে পাউডার ব্যবহার করলে পাউডারের সঙ্গে ঘাম মিশে একই সংক্রমণ হতে পারে।
জেনে নিন কিডনি নষ্টের কিছু কারণ!
মে ০৩, ২০১৭
No comments
কিডনি ছাড়া আমরা অচল, তাই কিডনি নষ্ট হওয়াথেকে বাঁচতে হলে আমাদের প্রত্যেকেরই কিডনি সম্পর্কেসচেতন হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের অগোচরেই অনেক সময়কিছু অসাবধানতার কারণে আমরা কিডনির ক্ষতি করছি।
জেনে নেই কিডনি নষ্টের গুরুত্বপূর্ণ সেই কারণসমূহ :
১। প্রস্রাব আটকে রাখা।
২। পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩। অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪। যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫। মাংস বেশি খাওয়া।
৬। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭। অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮। ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯। অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া।
২। পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩। অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪। যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫। মাংস বেশি খাওয়া।
৬। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭। অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮। ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯। অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া।
মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের মত কিডনিও আমাদের জন্যগুরুত্বপূর্ণ। কিডনিকে মানব দেহের ফিল্টার বলা হয়। কারণকিডনি প্রাণী শরীরের পানি ফিল্টার করে আমাদের সুস্থরাখতে সাহায্য করে। কিডনির যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে বেঁচেথাকাও আর সম্ভব নয়। তাই নিয়ম করে শরীরের যত্ন নিন।
কিডনি ও কিডনি রোগ সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হোন।
# আপনি জানেন কি, আপনার দুটো কিডনি প্রতিদিন প্রায়১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে আপনার শরীরকে সুস্থরাখে?
# দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরতআপনার রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে।
# কিডনি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তস্বল্পতা দূর করতেসাহায্য করে এবং আপনার অস্থিগুলো শক্তিশালী করে থাকে।
# কিডনির প্রধান রোগ নেফ্রাইটিস বা নেফ্রোটিক সিনড্রোম, যাকিডনির ছাঁকনি বা ফিল্টার মেমব্রেনকে ক্ষতবিক্ষত করে। এরকারণে শরীর থেকে অত্যাবশ্যক প্রোটিন বেরিয়ে যায়।
# প্রস্রাব প্রদাহ কিডনির একটি সাধারণ রোগ হলেও শিশুদেরক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।
# ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ নয়, তবু কিডনিকেআক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে মারাত্মকজটিলতার সৃষ্টি করে।
# যেসব রোগ কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতাবিনষ্ট করে বা কিডনি ফেইলার হয়: ১. নেফ্রাইটিস ২. ডায়াবেটিস ও ৩. উচ্চ রক্তচাপ। সুতরাং
# ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী কিডনি রোগেভোগে থাকে।
# আপনার বয়স যদি ৪০ বছরের ওপরে হয়, আপনি যদিডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন অথবা বংশে যদিকিডনি রোগ থাকে, তবে অবশ্যই আপনার রক্ত ও প্রস্রাবপরীক্ষা করে জেনে নিন, আপনার কিডনি রোগ আছে কি না।
# মেয়েদের গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ পরবর্তী পর্যায়ে কিডনিরোগের কারণ হতে পারে।
# শুধু রক্তচাপ, প্রস্রাব পরীক্ষা এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও সুগারপরীক্ষা করেই জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি না।
বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটি লোক কোনো না কোনোকিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রাথমিক পর্যায় থেকে এসব রোগেরচিকিৎসায় যত্নবান হোন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।












