কিডনি ছাড়া আমরা অচল, তাই কিডনি নষ্ট হওয়াথেকে বাঁচতে হলে আমাদের প্রত্যেকেরই কিডনি সম্পর্কেসচেতন হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের অগোচরেই অনেক সময়কিছু অসাবধানতার কারণে আমরা কিডনির ক্ষতি করছি।
জেনে নেই কিডনি নষ্টের গুরুত্বপূর্ণ সেই কারণসমূহ :
১। প্রস্রাব আটকে রাখা।
২। পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩। অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪। যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫। মাংস বেশি খাওয়া।
৬। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭। অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮। ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯। অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া।
২। পর্যাপ্ত পানি পান না করা।
৩। অতিরিক্ত লবন খাওয়া।
৪। যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা।
৫। মাংস বেশি খাওয়া।
৬। প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া।
৭। অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন।
৮। ওষুধ সেবনে অনিয়ম।
৯। অতিরিক্ত মদ খাওয়া।
১০। পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেয়া।
মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের মত কিডনিও আমাদের জন্যগুরুত্বপূর্ণ। কিডনিকে মানব দেহের ফিল্টার বলা হয়। কারণকিডনি প্রাণী শরীরের পানি ফিল্টার করে আমাদের সুস্থরাখতে সাহায্য করে। কিডনির যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে বেঁচেথাকাও আর সম্ভব নয়। তাই নিয়ম করে শরীরের যত্ন নিন।
কিডনি ও কিডনি রোগ সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হোন।
# আপনি জানেন কি, আপনার দুটো কিডনি প্রতিদিন প্রায়১৭০ লিটার রক্ত পরিশোধিত করে আপনার শরীরকে সুস্থরাখে?
# দুটো কিডনিতে প্রায় ২০-২৫ লাখ ছাঁকনি রয়েছে, যা অনবরতআপনার রক্তকে পরিশোধিত করে যাচ্ছে।
# কিডনি আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তস্বল্পতা দূর করতেসাহায্য করে এবং আপনার অস্থিগুলো শক্তিশালী করে থাকে।
# কিডনির প্রধান রোগ নেফ্রাইটিস বা নেফ্রোটিক সিনড্রোম, যাকিডনির ছাঁকনি বা ফিল্টার মেমব্রেনকে ক্ষতবিক্ষত করে। এরকারণে শরীর থেকে অত্যাবশ্যক প্রোটিন বেরিয়ে যায়।
# প্রস্রাব প্রদাহ কিডনির একটি সাধারণ রোগ হলেও শিশুদেরক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।
# ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগ নয়, তবু কিডনিকেআক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতা কমিয়ে মারাত্মকজটিলতার সৃষ্টি করে।
# যেসব রোগ কিডনিকে আক্রান্ত করে কিডনির কার্যকারিতাবিনষ্ট করে বা কিডনি ফেইলার হয়: ১. নেফ্রাইটিস ২. ডায়াবেটিস ও ৩. উচ্চ রক্তচাপ। সুতরাং
# ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগী কিডনি রোগেভোগে থাকে।
# আপনার বয়স যদি ৪০ বছরের ওপরে হয়, আপনি যদিডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন অথবা বংশে যদিকিডনি রোগ থাকে, তবে অবশ্যই আপনার রক্ত ও প্রস্রাবপরীক্ষা করে জেনে নিন, আপনার কিডনি রোগ আছে কি না।
# মেয়েদের গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ পরবর্তী পর্যায়ে কিডনিরোগের কারণ হতে পারে।
# শুধু রক্তচাপ, প্রস্রাব পরীক্ষা এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন ও সুগারপরীক্ষা করেই জানা যায় কিডনি রোগ আছে কি না।
বাংলাদেশে বর্তমানে দুই কোটি লোক কোনো না কোনোকিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রাথমিক পর্যায় থেকে এসব রোগেরচিকিৎসায় যত্নবান হোন এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।






0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন