শিশুদের যক্ষ্মা রোগের কারন, লক্ষন, ভয়াবহতা ও প্রতিরোধ।

শিশুদের যক্ষ্মা রোগের কারন, লক্ষন, ভয়াবহতা ও প্রতিরোধ।

বিশ্বের ২২টি দেশের মধ্যে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা সর্বাধিক। এর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠতম। যক্ষ্মা শুধু বড়দের আক্রান্ত করে না শিশুরাও আক্রান্ত হয়। বিশ্বের মোট যক্ষ্মা রোগীর ১০ শতাংশ শিশু, যাদের বয়স ১৫ বছরের নিচে। বিশ্বব্যাপী শিশুমৃত্যুর প্রথম ১০টি কারণের মধ্যে যক্ষ্মা একটি।

শিশুদের যক্ষ্মা রোগের কারণ
যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত লোকের সাথে ঘনিষ্ট সংস্পর্শে, আক্রান্ত লোক যখন কাশে তখন তার থুথুর মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায় ।

জীবানুর নামঃ মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস ( Mycobacterum Tuberculosis) ।

শিশুদের যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ
অল্প অল্প জ্বর ও কাশি, ক্ষুধা কমে যায়, দুর্বলতা, গ্রন্থি ফুলে যায়, পরে পেকে যে গ্রন্থি বগল বা ঘাড়ে ক্ষতের সৃষ্টি করে। অনেক দিন ধরে ধীরে ধীরে ওজন কমে যায় ।  হাড় যে কোন হাড়ের জোড়া ফুলে যায় এবং অচল হয়ে যায়। মেরুদন্ডে যক্ষ্মার ফলে বাঁকা  হযে যায়, ব্যাথা হয়।  মস্তিষ্ক (টিভি মেনিনজাইটিস) – এর ফলে মারাত্মক মাথা ব্যথা, অচেতনতা, ঘাড় শক্ত ও খিঁচুনি হয়।

শিশুদের যক্ষ্মা রোগের ভয়াবহতা
সময়মত সঠিক চিকিৎসা না করলে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু হতে পারে এবং রোগ ছড়াতে পারে।


শিশুদের যক্ষ্মা রোগের প্রতিরোধ

জম্মের পরপরই যত শীঘ্র সম্ভব বিসিজি টিকা দিলে তা শিশুর দেহে যক্ষ্মার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে জন্মের পর পর বিসিজি দেয়া না হলে, শিশুর এক বৎসর বয়সের মধ্যেই এই টিকা গ্রহণ করা উচিত।