এলার্জি নিরাময়ে যা করবেন:

এলার্জি নিরাময়ে যা করবেন:
এলার্জি বিভিন্ন রকম হতে পারে। কেউ এলার্জি
জাতীয় খাবার যেমনঃ গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ মাছ, ডিমসহ
অন্যান্য খাবার খেলে আবার অনেকের ধুলোবালির
থেকে এলার্জি হতে দেখা যায়। এলার্জির ধরণ বিভিন্ন
রকম হয়ে থাকে। শরীর চুলকানো, লাল হয়ে
ফুলে যাওয়া, হাঁচি-কাশি হওয়া ও মাথাব্যথা হওয়া।
আর নয়, এলার্জির যন্ত্রণা। কিছু পদক্ষেপ নিয়েই
আপনি এলার্জির যন্ত্রণা থেকে স্থায়ী মুক্তি
পেতে পারেন।
১। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন!
আপনার ঘরের আসবাবপত্র বা অন্যান্য বস্তু নিয়মিত
পরিষ্কার করছেন তো? না করলে আজ থেকে
করুন। আপনার বিছানার চাদর, বালিশের কভার, লেপ,
কম্বল, মেট্ট্রেস ও পর্দাসহ সকল কিছুতেই আছে
ধুলোবালি, অসংখ্য জীবাণু এবং মাইট ডাস্ট।
তাই ৩ দিন পর পর আপনার বালিশের কভার ও বিছানার চাদর
ধুয়ে ফেলুন। মেট্ট্রেস, লেপ ও কম্বল
রোঁদে দিন। এতে জীবাণুগুলো রোঁদের
তাপে মরে যাবে। রোঁদে
না পারলে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে
পারেন।
তাছাড়া আপনার ঘরের বই-পুস্তক, কার্পেট, ম্যাট,
সোফা ও কাঠের আসবাবপত্র অবশ্যই পরিষ্কার
করবেন নিয়মিত।
২। ফিস অয়েল খেতে পারেন।
এলার্জিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের উপর একটি গবেষণায়
দেখা যায় যে, যারা ১ মাস নিয়মিত ফিস অয়েল
সাপলিমেন্ট হিসেবে খেয়েছেন তাদের
লিউকট্রিয়েন্সের মাত্রা অনেকাংশে কমে যায়। এটি
একটি হরমোন যা শরীরে এলার্জির উদ্দীপনা
জাগায়। তাই নিয়মিত ১-২ মাস ১টি করে ফিস অয়েল
সাপলিমেন্ট খেতে পারেন।
৩। খাবারে হলুদ যোগ করুন।
যদিও হলুদ আমাদের প্রতিদিনের খাবারে ব্যবহৃত
হয়ে থাকে কিন্তু এটি যে একটি বহু গুনাগুণ সম্পন্ন
একটি মশলা, তা হয়ত অনেকের জানা নেই। এতে
আছে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদান।
এটি দেহের ভিতরে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে রোধ
করে।
৪। খাবারের তালিকায় পরিবর্তন আনুন।
গরুর মাংস খুব পছন্দ করেন? তবে গরুর মাংস আপনার
জন্য অনেক ক্ষতিকর যদি আপনি এলার্জিতে আক্রান্ত
হয়ে থাকেন। তাই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন। গরুর
মাংসের পরিবর্তে মুরগির মাংস খেতে পারেন। তাছাড়া,
চিংড়ি, ইলিশ মাছ ও অন্যান্য এলার্জি জাতীয় খাবার না খাওয়াই
ভাল।
৫। বাহির থেকে ফিরে অবশ্যই
ড্রেস পরিবর্তন করে নিন।
বাহিরের রোঁদ ও বাতাসের সংস্পর্শে আপনার জামা-
কাপড়ে ব্যাকটেরিয়া ও রেণু লেগে যায়। যদিও এই
ব্যাকটেরিয়াগুলোকে দেখা যায় না, তবে এইসব
আপনার হাঁচি ও কাশির জন্য দায়ী। তাই বাহির থেকে
ফিরে অবশ্যই কাপড় বদলে হাত-পা ও মুখ ধুয়ে
নিবেন।
আশা করি, টিপসগুলো আপনার এলার্জি নিরসনে সাহায্য
করবে। তবে খুব বেশি দিন ধরে এই সমস্যায়
ভুগলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হউন।