ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণঃ ১) ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া ২)
খুব বেশী পিপাসা লাগা ৩) বেশী ক্ষুধা পাওয়া ৪)
যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া ৫) ক্লান্তি ও
দুর্বলতা বোধ করা ৬) ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া ৭)
চোখে কম দেখা 8) খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি
চর্মরোগ দেখা দেওয়া * অনেক ক্ষেত্রে,
বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এসব
লক্ষণ প্রকাশ পায় না এবং সাধারন স্বাস্থ্য পরীক্ষাতেই
ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের মুল
হাতিয়ার ৫টিঃ ১) শিক্ষাঃ ডায়াবেটিস ও এর নিয়ন্ত্রন সম্পর্কে
সঠিক জ্ঞান। ২) শৃঙ্খলাঃ পরিমিত আহার, দৈহিক পরিশ্রম,
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, চোখ দাঁত ও পায়ের যত্ন ও
চিকিৎসকের অন্যান্য পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক শৃঙ্খলাবদ্ধ
জীবনযাপন করা। ৩) সঠিক খাদ্যাভ্যাসঃ সময়মত সঠিক
পরিমাণে খাদ্যগ্রহন, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য এড়িয়ে যাওয়া,
শর্করাবহুল খাদ্যগ্রহনের মাত্রা কমিয়ে আনা,
আঁশজাতীয় ও ক্যালরিসমৃদ্ধ খাদ্য অধিক মাত্রায় গ্রহন করা
এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস গঠন। ৪)
ব্যায়ামঃ ডায়াবেটিক রোগীর ইনসুলিনের কার্যকারিতা ও
নিঃসরনের জন্য ব্যায়াম বা দৈহিক পরিশ্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৫) ঔষধঃ সকল ডায়াবেটিক রোগীকেই উপরের ৪টি
নিয়ম মেনে চলতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে,
বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এই
চারটি নিয়ম পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রনে
এসে যায়। টাইপ-১ এর ডায়াবেটিক রোগী(এদের
শরীরে ইনসুলিন একেবারেই তৈরি হয়না), তাদেরকে
অবশ্যই নিয়নিত ইনসুলিন ইঞ্জেকশান নিতে হয়। তবে
টাইপ-২ এর ডায়াবেটিক রোগী(এদের শরীরে
অল্প মাত্রায় ইনসুলিন তৈরি হয়) তাদেরকে চিকিৎসকের
পরামর্শ অনুযায়ী ইঞ্জেকশানের পরিবর্তে অন্য
ঔষধ দেওয়া হয়ে থাকে।। ডায়াবেটিস সারাজীবনের
রোগ হলেও কোন জটিল রোগ নয়। দয়া করে
ডায়াবেটিক রোগীদেরকে আর দশজন সাধারন মানুষ
থেকে আলাদা করে দেখবেন না।।
খুব বেশী পিপাসা লাগা ৩) বেশী ক্ষুধা পাওয়া ৪)
যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া ৫) ক্লান্তি ও
দুর্বলতা বোধ করা ৬) ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া ৭)
চোখে কম দেখা 8) খোস-পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি
চর্মরোগ দেখা দেওয়া * অনেক ক্ষেত্রে,
বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এসব
লক্ষণ প্রকাশ পায় না এবং সাধারন স্বাস্থ্য পরীক্ষাতেই
ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনের মুল
হাতিয়ার ৫টিঃ ১) শিক্ষাঃ ডায়াবেটিস ও এর নিয়ন্ত্রন সম্পর্কে
সঠিক জ্ঞান। ২) শৃঙ্খলাঃ পরিমিত আহার, দৈহিক পরিশ্রম,
পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, চোখ দাঁত ও পায়ের যত্ন ও
চিকিৎসকের অন্যান্য পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক শৃঙ্খলাবদ্ধ
জীবনযাপন করা। ৩) সঠিক খাদ্যাভ্যাসঃ সময়মত সঠিক
পরিমাণে খাদ্যগ্রহন, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য এড়িয়ে যাওয়া,
শর্করাবহুল খাদ্যগ্রহনের মাত্রা কমিয়ে আনা,
আঁশজাতীয় ও ক্যালরিসমৃদ্ধ খাদ্য অধিক মাত্রায় গ্রহন করা
এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস গঠন। ৪)
ব্যায়ামঃ ডায়াবেটিক রোগীর ইনসুলিনের কার্যকারিতা ও
নিঃসরনের জন্য ব্যায়াম বা দৈহিক পরিশ্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৫) ঔষধঃ সকল ডায়াবেটিক রোগীকেই উপরের ৪টি
নিয়ম মেনে চলতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে,
বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে এই
চারটি নিয়ম পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রনে
এসে যায়। টাইপ-১ এর ডায়াবেটিক রোগী(এদের
শরীরে ইনসুলিন একেবারেই তৈরি হয়না), তাদেরকে
অবশ্যই নিয়নিত ইনসুলিন ইঞ্জেকশান নিতে হয়। তবে
টাইপ-২ এর ডায়াবেটিক রোগী(এদের শরীরে
অল্প মাত্রায় ইনসুলিন তৈরি হয়) তাদেরকে চিকিৎসকের
পরামর্শ অনুযায়ী ইঞ্জেকশানের পরিবর্তে অন্য
ঔষধ দেওয়া হয়ে থাকে।। ডায়াবেটিস সারাজীবনের
রোগ হলেও কোন জটিল রোগ নয়। দয়া করে
ডায়াবেটিক রোগীদেরকে আর দশজন সাধারন মানুষ
থেকে আলাদা করে দেখবেন না।।






0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন