চলমান জীবনে এলার্জি কতটা ভয়ংকর সেটা যিনি
ভুক্তভোগী শুধু তিনিই জানেন। এর উপশমের
জন্য কতজন কত কিছুই না করেন। তবুও এর সুরাহা হয় না।
কত সুস্বাদু খাবার চোখের সামনে দেখে
জিহ্বাতে পানি আসলেও এলার্জি ভয়ে তা আর খাওয়া হয়
না। এজন্য বছরের পর বছর ভুক্তভোগীরা এসব
খাবার খাওয়া থেকে বঞ্চিত থাকেন। ভোগেন
পুষ্টিহীনতায়। তবে এর জন্য আর চিন্তা নয়। এলার্জি
আক্রান্ত ব্যক্তিরা সব চিন্তা মাথা থেকে ছেড়ে
ফেলুন। এবার বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান
আজীবনের জন্য। এজন্য আপনাকে যা করতে
হবে–
- এক কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে
নিন।
- শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং তা
ভালো করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন একটি কৌটায় ভরে
রাখুন।
- এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। এক চা চামচের তিন
ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া এবং এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস
পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে
রাখুন।
- আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।
- প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে
এবং রাতে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন
একটানা খেতে হবে।
- কার্যকারিতা শুরু হতে এক মাস লেগে যেতে
পারে। আরোগ্য লাভ করবেন। এরপর থেকে
এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন-
হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর মাংস, চিংড়ি, কচু, কচুশাক, গাভীর
দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য খাবার খান।
দেখবেন কোনো সমস্যা হচ্ছে না।
ভুক্তভোগী শুধু তিনিই জানেন। এর উপশমের
জন্য কতজন কত কিছুই না করেন। তবুও এর সুরাহা হয় না।
কত সুস্বাদু খাবার চোখের সামনে দেখে
জিহ্বাতে পানি আসলেও এলার্জি ভয়ে তা আর খাওয়া হয়
না। এজন্য বছরের পর বছর ভুক্তভোগীরা এসব
খাবার খাওয়া থেকে বঞ্চিত থাকেন। ভোগেন
পুষ্টিহীনতায়। তবে এর জন্য আর চিন্তা নয়। এলার্জি
আক্রান্ত ব্যক্তিরা সব চিন্তা মাথা থেকে ছেড়ে
ফেলুন। এবার বিনা পয়সায় এলার্জিকে গুডবাই জানান
আজীবনের জন্য। এজন্য আপনাকে যা করতে
হবে–
- এক কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে
নিন।
- শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুড়ো করুন এবং তা
ভালো করে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন একটি কৌটায় ভরে
রাখুন।
- এবার ইসব গুলের ভুষি কিনুন। এক চা চামচের তিন
ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া এবং এক চা চামচ ভুষি ১ গ্লাস
পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে
রাখুন।
- আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।
- প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে
এবং রাতে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন
একটানা খেতে হবে।
- কার্যকারিতা শুরু হতে এক মাস লেগে যেতে
পারে। আরোগ্য লাভ করবেন। এরপর থেকে
এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না যেমন-
হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর মাংস, চিংড়ি, কচু, কচুশাক, গাভীর
দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য খাবার খান।
দেখবেন কোনো সমস্যা হচ্ছে না।






0 মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন